০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

একসময় ভাত খুঁজতো ক্যান্টিনে, এখন হাঁস খোঁজে ওয়েস্টিনে: কাকে ইঙ্গিত করলেন পার্থ?

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১০৮

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘একসময় ভাত খুঁজতো ক্যান্টিনে, এখন হাঁস খোঁজে ওয়েস্টিনে’।

রাজনৈতিকভাবে ইঙ্গিতপূর্ণ এই পোস্টে পার্থ কার উদ্দেশে লিখেছেন তা স্পষ্ট করেননি।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার একটি বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আসিফ মাহমুদের ওয়েস্টিনে অবস্থানের একটি ভিডিও ফুটেজ সম্প্রতি ভাইরাল হয়। একে জড়ানো হচ্ছে গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মীর কাছে চাঁদাবাজির ঘটনার সঙ্গে।

এমনই আবহে আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, কাজ করতে করতে দেরি হয়ে গেলে ভোররাতে তিনি মাঝে মাঝে ৩০০ ফিট সড়কের নীলা মার্কেটে হাঁসের মাংস খেতে যান। সেখানে বন্ধ থাকলে গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে যান। ভাইরাল ভিডিও ফুটেজটি কবেকার সেটি তিনি জানেন না।

তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর নানাজনে নানাভাবে আসিফ মাহমুদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ তার স্ট্যাটাসে কারও নাম উল্লেখ না করলেও নেটিজেনদের একটি বড় অংশের ধারণা, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন পার্থ। পোস্টটির নিচে অনেকে সরাসরি আসিফ মাহমুদের নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পার্থর পোস্টে লাইক পড়েছে ৮৭ হাজার, মন্তব্য এসেছে ২২ হাজারের বেশি। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে ৯ হাজার ২০০ বারের বেশি।

আসিফ মাহমুদ ও আন্দালিব রহমান পার্থ দুজনই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের যোদ্ধা। আসিফ লাইম লাইটে আসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। এরপর তো ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে হলেন সরকারের উপদেষ্টা।

আর আন্দালিব রহমান পার্থ এক যুগের বেশি সময় ধরে লড়ে আসছিলেন আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে। সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন তিনি। এ জন্য শেখ হাসিনা সরকারের রোষানলে পড়ে একাধিকবার কারাগারে যেতে হয় তাকে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ও তাকে গ্রেপ্তার কর সরকার। শেখ হাসিনা সরকারের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে বহু মামলার শিকার হন এই জনপ্রিয় তরুণ নেতা।

Please Share This Post in Your Social Media

একসময় ভাত খুঁজতো ক্যান্টিনে, এখন হাঁস খোঁজে ওয়েস্টিনে: কাকে ইঙ্গিত করলেন পার্থ?

আপডেট: ০২:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘একসময় ভাত খুঁজতো ক্যান্টিনে, এখন হাঁস খোঁজে ওয়েস্টিনে’।

রাজনৈতিকভাবে ইঙ্গিতপূর্ণ এই পোস্টে পার্থ কার উদ্দেশে লিখেছেন তা স্পষ্ট করেননি।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার একটি বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আসিফ মাহমুদের ওয়েস্টিনে অবস্থানের একটি ভিডিও ফুটেজ সম্প্রতি ভাইরাল হয়। একে জড়ানো হচ্ছে গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মীর কাছে চাঁদাবাজির ঘটনার সঙ্গে।

এমনই আবহে আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, কাজ করতে করতে দেরি হয়ে গেলে ভোররাতে তিনি মাঝে মাঝে ৩০০ ফিট সড়কের নীলা মার্কেটে হাঁসের মাংস খেতে যান। সেখানে বন্ধ থাকলে গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে যান। ভাইরাল ভিডিও ফুটেজটি কবেকার সেটি তিনি জানেন না।

তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর নানাজনে নানাভাবে আসিফ মাহমুদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ তার স্ট্যাটাসে কারও নাম উল্লেখ না করলেও নেটিজেনদের একটি বড় অংশের ধারণা, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন পার্থ। পোস্টটির নিচে অনেকে সরাসরি আসিফ মাহমুদের নাম উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পার্থর পোস্টে লাইক পড়েছে ৮৭ হাজার, মন্তব্য এসেছে ২২ হাজারের বেশি। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে ৯ হাজার ২০০ বারের বেশি।

আসিফ মাহমুদ ও আন্দালিব রহমান পার্থ দুজনই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের যোদ্ধা। আসিফ লাইম লাইটে আসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। এরপর তো ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে হলেন সরকারের উপদেষ্টা।

আর আন্দালিব রহমান পার্থ এক যুগের বেশি সময় ধরে লড়ে আসছিলেন আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে। সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন তিনি। এ জন্য শেখ হাসিনা সরকারের রোষানলে পড়ে একাধিকবার কারাগারে যেতে হয় তাকে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ও তাকে গ্রেপ্তার কর সরকার। শেখ হাসিনা সরকারের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে বহু মামলার শিকার হন এই জনপ্রিয় তরুণ নেতা।