০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আবারও আটক করল পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রায় নয় ঘণ্টার বিক্ষোভের পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে ফের আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে নয়াদিল্লির আকাশবাণী ভবনের সামনে বিক্ষোভ চলাকালে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি কংগ্রেসের আরও কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকেও আটক করেছে পুলিশ।

ভোটার তালিকা সংশোধনের একটি বিশেষ কার্যক্রম নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলো। এরই অংশ হিসেবে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা নির্বাচন সদনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরে এর প্রতিবাদে আকাশবাণী ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কংগ্রেস নেতারা।

বিক্ষোভ চলাকালে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

কংগ্রেস নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত এবং তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে মিছিল নিয়ে এগোতে না দেওয়ার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের পুলিশ বাসে তোলা হয়। পরে তাঁরা সেখান থেকে বের হয়ে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের পাশে অবস্থিত আকাশবাণী ভবনে প্রবেশ করেন। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

এদিকে বিক্ষোভের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ খবরকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ বলে জানিয়েছে ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ইউনিট। বিভ্রান্তিকর এ ধরনের তথ্য থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

সূত্র: এনডিটিভি

Please Share This Post in Your Social Media

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে আবারও আটক করল পুলিশ

আপডেট: ০১:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রায় নয় ঘণ্টার বিক্ষোভের পর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রকে ফের আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে নয়াদিল্লির আকাশবাণী ভবনের সামনে বিক্ষোভ চলাকালে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি কংগ্রেসের আরও কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকেও আটক করেছে পুলিশ।

ভোটার তালিকা সংশোধনের একটি বিশেষ কার্যক্রম নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলো। এরই অংশ হিসেবে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা নির্বাচন সদনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরে এর প্রতিবাদে আকাশবাণী ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কংগ্রেস নেতারা।

বিক্ষোভ চলাকালে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

কংগ্রেস নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত এবং তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে মিছিল নিয়ে এগোতে না দেওয়ার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ। তাঁদের পুলিশ বাসে তোলা হয়। পরে তাঁরা সেখান থেকে বের হয়ে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের পাশে অবস্থিত আকাশবাণী ভবনে প্রবেশ করেন। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

এদিকে বিক্ষোভের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ খবরকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট’ বলে জানিয়েছে ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ইউনিট। বিভ্রান্তিকর এ ধরনের তথ্য থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

সূত্র: এনডিটিভি