১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

শার্শা সীমান্তে ৫০ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপসহ আটক-১

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / ১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ভারতীয় এসকাফ (Eskuf) সিরাপ ও একটি মোটরসাইকেলসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধীনস্থ কায়বা বিওপির সদস্যরা দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে এসব জব্দ করেন।

এ সময় মো. শহিদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি যশোর জেলার শার্শা থানার রুদ্রপুর গ্রামের মৃত জহুর আলী মোল্লার ছেলে।

বিজিবি সূত্র জানায়, অভিযানে ৫০ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপ এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

পরে আটক ব্যক্তিকে জব্দকৃত আলামতসহ শার্শা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান বলেন, বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান পণ্য, মাদক এবং পাচারচক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শা সীমান্তে ৫০ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপসহ আটক-১

আপডেট: ১১:২৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ভারতীয় এসকাফ (Eskuf) সিরাপ ও একটি মোটরসাইকেলসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধীনস্থ কায়বা বিওপির সদস্যরা দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে এসব জব্দ করেন।

এ সময় মো. শহিদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি যশোর জেলার শার্শা থানার রুদ্রপুর গ্রামের মৃত জহুর আলী মোল্লার ছেলে।

বিজিবি সূত্র জানায়, অভিযানে ৫০ বোতল ভারতীয় এসকাফ সিরাপ এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

পরে আটক ব্যক্তিকে জব্দকৃত আলামতসহ শার্শা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান বলেন, বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান পণ্য, মাদক এবং পাচারচক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।