১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ঝিকরগাছায় খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষে জলাবদ্ধতার আশংকা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / ১৫

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছার নির্বাসখোলা ইউনিয়নের আশিংড়ী, শিওরদাহ ও নন্দীডুমুরিয়া গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত একটি পুরাতন খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা।

তাদের আশঙ্কা, খালের মধ্যে মাছ চাষের জন্য নির্মিত অবকাঠামোর কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়াবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আশিংড়ী গ্রামের বাসিন্দা মোহাব্বত আলী নন্দীডুমুরিয়া মৌজা এবং পার্শ্ববর্তী নাভারণ ইউনিয়নের বায়সা মৌজায় অবস্থিত আফিল ফার্ম সংলগ্ন সরকারি কালভার্টের নিচে প্রাচীর নির্মাণ করে মাছ চাষ করছেন। এতে বর্ষাকালে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করছেন। নন্দীডুমুরিয়া ও আশিংড়ী গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, বর্ষা মৌসুমে পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত না হলে তিন থেকে চারটি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধতার কবলে পড়তে পারে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়বে।

এ বিষয়ে মোহাব্বত আলী বলেন, খাল দখল করে নতুন কোনো স্থাপনা করা হয়নি। ২০-২৫ বছর আগে থেকেই এখানে বাঁধ রয়েছে। এতে কারো কোনো ক্ষতি হচ্ছে না বলে তিনি দাবী করেন।

ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে স্থানীয়রা খালটির বর্তমান অবস্থা তদন্ত করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের মতে, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হলে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা ও কৃষি ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

ঝিকরগাছায় খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষে জলাবদ্ধতার আশংকা

আপডেট: ০৬:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের ঝিকরগাছার নির্বাসখোলা ইউনিয়নের আশিংড়ী, শিওরদাহ ও নন্দীডুমুরিয়া গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত একটি পুরাতন খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা।

তাদের আশঙ্কা, খালের মধ্যে মাছ চাষের জন্য নির্মিত অবকাঠামোর কারণে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়াবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আশিংড়ী গ্রামের বাসিন্দা মোহাব্বত আলী নন্দীডুমুরিয়া মৌজা এবং পার্শ্ববর্তী নাভারণ ইউনিয়নের বায়সা মৌজায় অবস্থিত আফিল ফার্ম সংলগ্ন সরকারি কালভার্টের নিচে প্রাচীর নির্মাণ করে মাছ চাষ করছেন। এতে বর্ষাকালে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করছেন। নন্দীডুমুরিয়া ও আশিংড়ী গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, বর্ষা মৌসুমে পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত না হলে তিন থেকে চারটি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধতার কবলে পড়তে পারে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়বে।

এ বিষয়ে মোহাব্বত আলী বলেন, খাল দখল করে নতুন কোনো স্থাপনা করা হয়নি। ২০-২৫ বছর আগে থেকেই এখানে বাঁধ রয়েছে। এতে কারো কোনো ক্ষতি হচ্ছে না বলে তিনি দাবী করেন।

ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে স্থানীয়রা খালটির বর্তমান অবস্থা তদন্ত করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের মতে, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হলে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা ও কৃষি ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।