১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

একটি গাড়িকে ঘিরে রহস্য, সোনা পাচার ও মালিকানা বিরোধ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / ১১

মাগুরা প্রতিনিধিঃ যশোরে উদ্ধার হওয়া একটি প্রাইভেটকারকে কেন্দ্র করে ছিনতাই, সোনা পাচার এবং মালিকানা নিয়ে ত্রিমুখী রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

গাড়িটির মালিক দাবিদার মাগুরার শালিখার হিরা খাতুনের তাঁর স্বামী আলী আহমেদ গত ৫ জানুয়ারি মারা যাওয়ার পর থেকেই ‘গোল্ড শহিদ’ নামে এক ব্যক্তি সোনা আত্মসাতের অভিযোগে তাঁদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

অভিযোগ, গত ৮ জানুয়ারি হিরা খাতুনের ছেলে ফাইমুর রহমানকে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে সই নিয়ে গাড়ি ও আইফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশি তৎপরতায় গাড়িটি মাগুরা জেলা যুবদলের সভাপতি কল্লোলের কাছ থেকে উদ্ধার করে যশোর কোতোয়ালি থানায় আনা হয়।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আলী আহমেদের বিরুদ্ধে সীমান্তপথে সোনা পাচারের সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং ওই গাড়িটি পাচারকাজে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর মৃত্যুর পর আত্মসাৎকৃত সোনা উদ্ধারে চক্রটি সক্রিয় হয়ে গাড়িটি ছিনতাই করে থাকতে পারে।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে গাড়িটি এক পক্ষ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে গাড়িটি বর্তমানে পুলিশি জিম্মায় আছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিকের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে পুলিশ।

উল্লেখ শালিখার এ পরিবারটি মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে ধনীতে রুপান্তরিত হয়েছে। তদন্তে মিলতে পারে না জানা অনেক ইতিহাস।

Please Share This Post in Your Social Media

একটি গাড়িকে ঘিরে রহস্য, সোনা পাচার ও মালিকানা বিরোধ

আপডেট: ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

মাগুরা প্রতিনিধিঃ যশোরে উদ্ধার হওয়া একটি প্রাইভেটকারকে কেন্দ্র করে ছিনতাই, সোনা পাচার এবং মালিকানা নিয়ে ত্রিমুখী রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

গাড়িটির মালিক দাবিদার মাগুরার শালিখার হিরা খাতুনের তাঁর স্বামী আলী আহমেদ গত ৫ জানুয়ারি মারা যাওয়ার পর থেকেই ‘গোল্ড শহিদ’ নামে এক ব্যক্তি সোনা আত্মসাতের অভিযোগে তাঁদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

অভিযোগ, গত ৮ জানুয়ারি হিরা খাতুনের ছেলে ফাইমুর রহমানকে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে সই নিয়ে গাড়ি ও আইফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশি তৎপরতায় গাড়িটি মাগুরা জেলা যুবদলের সভাপতি কল্লোলের কাছ থেকে উদ্ধার করে যশোর কোতোয়ালি থানায় আনা হয়।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আলী আহমেদের বিরুদ্ধে সীমান্তপথে সোনা পাচারের সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং ওই গাড়িটি পাচারকাজে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর মৃত্যুর পর আত্মসাৎকৃত সোনা উদ্ধারে চক্রটি সক্রিয় হয়ে গাড়িটি ছিনতাই করে থাকতে পারে।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে গাড়িটি এক পক্ষ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে গাড়িটি বর্তমানে পুলিশি জিম্মায় আছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিকের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে পুলিশ।

উল্লেখ শালিখার এ পরিবারটি মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে ধনীতে রুপান্তরিত হয়েছে। তদন্তে মিলতে পারে না জানা অনেক ইতিহাস।