১২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

খুলছে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / ১০

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : মালয়েশিয়াসহ বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালুর পাশাপাশি অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এই ইতিবাচক ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় মালয়েশিয়ার বাজার দ্রুত সচল করার চেষ্টা চলছে এবং থাইল্যান্ডের মতো নতুন বাজারে জনশক্তি রপ্তানির জটিলতা কাটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট কিছু সিন্ডিকেটের কারণে অভিবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে সরকার একটি নির্দিষ্ট ব্যয় কাঠামো বা রেট নির্ধারণ করে দিচ্ছে। এর ফলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ হবে এবং সাধারণ কর্মীদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার বাজার নিয়ে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে এবং দ্রুতই সেখানে বড় আকারে কর্মী পাঠানো শুরু হবে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কাজে বাংলাদেশি কর্মীদের বিশাল চাহিদাকে কাজে লাগাতে তাদের ভাষা দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

খুলছে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

আপডেট: ০৯:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : মালয়েশিয়াসহ বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালুর পাশাপাশি অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এই ইতিবাচক ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় মালয়েশিয়ার বাজার দ্রুত সচল করার চেষ্টা চলছে এবং থাইল্যান্ডের মতো নতুন বাজারে জনশক্তি রপ্তানির জটিলতা কাটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট কিছু সিন্ডিকেটের কারণে অভিবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে সরকার একটি নির্দিষ্ট ব্যয় কাঠামো বা রেট নির্ধারণ করে দিচ্ছে। এর ফলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ হবে এবং সাধারণ কর্মীদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার বাজার নিয়ে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে এবং দ্রুতই সেখানে বড় আকারে কর্মী পাঠানো শুরু হবে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন কাজে বাংলাদেশি কর্মীদের বিশাল চাহিদাকে কাজে লাগাতে তাদের ভাষা দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়।