১২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী জিয়া পরিবারকে শেষ করতে চেয়েছিলেন: পিপি ফারুকী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / ২১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে পল্টন মডেল থানায় করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য, সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আলোচিত সেনা কর্মকর্তা এবং এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

শুনানিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী আসামির উদ্দেশে বলেন, তিনি মাইনাস টু ফর্মুলার নামে জিয়া পরিবারকেই শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস। যাকে (তারেক জিয়া) টর্চার করে হত্যা করতে চেয়েছিল, তিনিই এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী।

এদিন গ্রেপ্তার আসামি মাসুদকে বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ৫টা ১৮ মিনিটে কড়া নিরাপত্তায় তাকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

ওই আবেদনে বলা হয়, মামলার তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (অব.) ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকায় ডিবি ডিএমপির টিম তার অবস্থান নির্ণয় করে তার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। মামলার ঘটনার বিষয়ে তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে সুচতুর চালাক প্রকৃতির লোক হওয়ায় নিজেকে আড়াল করে মামলার বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। এমতাবস্থায় মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার, আত্মসাৎ করা ও চাঁদার টাকা উদ্ধার, মূল অপরাধী চক্র শনাক্তসহ অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তার করার জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

এজন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।

রিমান্ড শুনানিতে ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ২৪ হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়েছেন এই আসামি। তথাকথিত ১/১১ সরকারের সময় এই আসামিসহ অন্যরা মিলে ট্রুথ কমিশন গঠন করে ব্যবসায়ীদের ধরে এনে নির্যাতন করত এবং তাদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করত। এ আসামি রাজনৈতিক নেতাদেরও ধরে এনে নির্যাতন করত।

Please Share This Post in Your Social Media

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী জিয়া পরিবারকে শেষ করতে চেয়েছিলেন: পিপি ফারুকী

আপডেট: ০৯:০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিন্ডিকেট করে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে পল্টন মডেল থানায় করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য, সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আলোচিত সেনা কর্মকর্তা এবং এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

শুনানিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী আসামির উদ্দেশে বলেন, তিনি মাইনাস টু ফর্মুলার নামে জিয়া পরিবারকেই শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস। যাকে (তারেক জিয়া) টর্চার করে হত্যা করতে চেয়েছিল, তিনিই এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী।

এদিন গ্রেপ্তার আসামি মাসুদকে বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ৫টা ১৮ মিনিটে কড়া নিরাপত্তায় তাকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

ওই আবেদনে বলা হয়, মামলার তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি লে. জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (অব.) ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকায় ডিবি ডিএমপির টিম তার অবস্থান নির্ণয় করে তার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। মামলার ঘটনার বিষয়ে তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে সুচতুর চালাক প্রকৃতির লোক হওয়ায় নিজেকে আড়াল করে মামলার বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। এমতাবস্থায় মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার, আত্মসাৎ করা ও চাঁদার টাকা উদ্ধার, মূল অপরাধী চক্র শনাক্তসহ অন্যান্য আসামি গ্রেপ্তার করার জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

এজন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।

রিমান্ড শুনানিতে ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ২৪ হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়েছেন এই আসামি। তথাকথিত ১/১১ সরকারের সময় এই আসামিসহ অন্যরা মিলে ট্রুথ কমিশন গঠন করে ব্যবসায়ীদের ধরে এনে নির্যাতন করত এবং তাদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করত। এ আসামি রাজনৈতিক নেতাদেরও ধরে এনে নির্যাতন করত।