১১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের দিকে তাকানোর ফুরসত পায়নি স্বৈরাচার হাসিনা: রাষ্ট্রদূত আনসারী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৭৮

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : বাংলাদেশের সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মেক্সিকোয় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুক্রবার দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “হতাশা, দুঃখবোধ, অতৃপ্তি আর পরিবর্তিত বাস্তবতার ভার সইতে না পেরে বিভুরঞ্জন সরকার শেষবারের মতো একটি লেখা লিখে মেঘনা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিজের জীবন অবসান করেছেন। তার এই মৃত্যু যেমন বেদনাদায়ক, তেমনি আমাদের জন্য শিক্ষণীয়।”

রাষ্ট্রদূত আনসারী তার পোস্টে বিভুরঞ্জনের লেখা ‘খোলা চিঠি’ সংযুক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিভুরঞ্জন সরকারের লেখালেখির সঙ্গে পরিচিত হিসেবে দেখা যায়, তিনি সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে লিখেছেন এবং পতিত স্বৈরাচার হাসিনাকে “স্বপ্ন পূরণের কারিগর” হিসেবেও উপস্থাপন করেছেন।

তিনি বলেন, “তার সর্বশেষ লেখায় স্পষ্ট হয়েছে অপ্রাপ্তির বেদনা ও পারিবারিক অনটনের চিত্র, যার দায় তিনি হাসিনা সরকারের উপর ন্যস্ত করেছেন। অথচ হাসিনা তার স্তাবকশ্রেণির তথাকথিত সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবীদের বিলাসিতা আর বৈভবে ভরিয়ে দিলেও বিভুরঞ্জনের দিকে তাকানোর ফুরসত পায়নি।”

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “বিভুরঞ্জন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মতভেদ থাকাই স্বাভাবিক, তবে এমন মৃত্যু কেবল অপ্রত্যাশিত নয়, অত্যন্ত দুঃখজনকও। আমি তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।”

উল্লেখ্য, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারীকে জ্যেষ্ঠ সচিব পদমর্যাদায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের দিকে তাকানোর ফুরসত পায়নি স্বৈরাচার হাসিনা: রাষ্ট্রদূত আনসারী

আপডেট: ০২:২৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : বাংলাদেশের সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মেক্সিকোয় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুক্রবার দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “হতাশা, দুঃখবোধ, অতৃপ্তি আর পরিবর্তিত বাস্তবতার ভার সইতে না পেরে বিভুরঞ্জন সরকার শেষবারের মতো একটি লেখা লিখে মেঘনা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিজের জীবন অবসান করেছেন। তার এই মৃত্যু যেমন বেদনাদায়ক, তেমনি আমাদের জন্য শিক্ষণীয়।”

রাষ্ট্রদূত আনসারী তার পোস্টে বিভুরঞ্জনের লেখা ‘খোলা চিঠি’ সংযুক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিভুরঞ্জন সরকারের লেখালেখির সঙ্গে পরিচিত হিসেবে দেখা যায়, তিনি সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে লিখেছেন এবং পতিত স্বৈরাচার হাসিনাকে “স্বপ্ন পূরণের কারিগর” হিসেবেও উপস্থাপন করেছেন।

তিনি বলেন, “তার সর্বশেষ লেখায় স্পষ্ট হয়েছে অপ্রাপ্তির বেদনা ও পারিবারিক অনটনের চিত্র, যার দায় তিনি হাসিনা সরকারের উপর ন্যস্ত করেছেন। অথচ হাসিনা তার স্তাবকশ্রেণির তথাকথিত সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবীদের বিলাসিতা আর বৈভবে ভরিয়ে দিলেও বিভুরঞ্জনের দিকে তাকানোর ফুরসত পায়নি।”

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “বিভুরঞ্জন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মতভেদ থাকাই স্বাভাবিক, তবে এমন মৃত্যু কেবল অপ্রত্যাশিত নয়, অত্যন্ত দুঃখজনকও। আমি তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।”

উল্লেখ্য, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারীকে জ্যেষ্ঠ সচিব পদমর্যাদায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।