১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে চারা বিতরণ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / ১১

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং কৃষকদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় দ্বিতীয় ধাপে ২১ হাজার ফলজ, বনজ, ঔষধি ও ফুলজাতীয় গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে মাটিরাঙ্গা হর্টিকালচার সেন্টারে করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে, ইআরআরডি-সিএইচটি এবং ইউএনডিপির সহযোগিতায় দ্বিতীয় ধাপে জেলার ৩০টি সাইটের কৃষকদের মাঝে এসব চারা বিতরণ করা হচ্ছে।

করলিয়া প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা নবলেশ্বর দেওয়ানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ আব্দুল্লাহ আল মাসুম।

বিতরণকালে অতিথিরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান বাস্তবতায় পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের বিকল্প নেই। ফলজ, বনজ, ঔষধি ও ফুলজাতীয় গাছের চাষ একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবে, অন্যদিকে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বিতরণকৃত চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করার জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে করলিয়া প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা নবলেশ্বর দেওয়ান বলেন, করলিয়া প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো পার্বত্য অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা। এই চারা বিতরণ কর্মসূচি সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অনুষ্ঠানে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন করলিয়া প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার পরিচিতা খীসা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দীন জয়নাল, গুইমারা উপজেলা করলিয়া প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়ক রাসিল ত্রিপুরা, পানছড়ি উপজেলা প্রকল্প সমন্বয়ক তনয়া চাকমা, মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্প সমন্বয়ক কোরবান আলীসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা।

অনুষ্ঠান শেষে ৩০টি সাইটের নির্বাচিত কৃষকদের হাতে পর্যায়ক্রমে ২১ হাজার ফলজ, বনজ, ঔষধি ও ফুলজাতীয় গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে সবুজায়ন সম্প্রসারণের পাশাপাশি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে চারা বিতরণ

আপডেট: ০৭:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং কৃষকদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় দ্বিতীয় ধাপে ২১ হাজার ফলজ, বনজ, ঔষধি ও ফুলজাতীয় গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে মাটিরাঙ্গা হর্টিকালচার সেন্টারে করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে, ইআরআরডি-সিএইচটি এবং ইউএনডিপির সহযোগিতায় দ্বিতীয় ধাপে জেলার ৩০টি সাইটের কৃষকদের মাঝে এসব চারা বিতরণ করা হচ্ছে।

করলিয়া প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা নবলেশ্বর দেওয়ানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ আব্দুল্লাহ আল মাসুম।

বিতরণকালে অতিথিরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান বাস্তবতায় পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের বিকল্প নেই। ফলজ, বনজ, ঔষধি ও ফুলজাতীয় গাছের চাষ একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবে, অন্যদিকে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বিতরণকৃত চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করার জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে করলিয়া প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা নবলেশ্বর দেওয়ান বলেন, করলিয়া প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো পার্বত্য অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা। এই চারা বিতরণ কর্মসূচি সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অনুষ্ঠানে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন করলিয়া প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার পরিচিতা খীসা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দীন জয়নাল, গুইমারা উপজেলা করলিয়া প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়ক রাসিল ত্রিপুরা, পানছড়ি উপজেলা প্রকল্প সমন্বয়ক তনয়া চাকমা, মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্প সমন্বয়ক কোরবান আলীসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা।

অনুষ্ঠান শেষে ৩০টি সাইটের নির্বাচিত কৃষকদের হাতে পর্যায়ক্রমে ২১ হাজার ফলজ, বনজ, ঔষধি ও ফুলজাতীয় গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে সবুজায়ন সম্প্রসারণের পাশাপাশি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।