০২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

খাগড়াছড়িতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের জমজমাট ফাইনাল, দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন এপিবিএন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৪

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়িতে তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট-২০২৬ (বালক-বালিকা) উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতা, দর্শকদের উচ্ছ্বাস এবং ক্ষুদে ফুটবলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে টুর্নামেন্টের পর্দা নামে এক বর্ণিল আয়োজনে।

রোববার বিকেলে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত এই ফাইনাল ম্যাচ। খেলা শেষে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শুভাশীষ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা। তিনি ক্ষুদে খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সক্ষমতাই বৃদ্ধি করে না, বরং শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দলগত চেতনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ফাইনালে বালিকা বিভাগে মুখোমুখি হয় বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং এপিবিএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্যদিকে বালক বিভাগেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও এপিবিএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দুই বিভাগেই ক্ষুদে খেলোয়াড়রা মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। এদিন ফাইনাল ম্যাচে বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা দলকে টাইব্রেকারে ৩-৪গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন এপিবিএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্যদিকে একই বিদ্যালয়ের বালক দলও বড় পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে টাইব্রেকারে ৪-৩গোলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন এপিবিএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ পরিণত হয় আনন্দ-উৎসবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্ট ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়িতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের জমজমাট ফাইনাল, দুই বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন এপিবিএন

আপডেট: ১২:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়িতে তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট-২০২৬ (বালক-বালিকা) উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতা, দর্শকদের উচ্ছ্বাস এবং ক্ষুদে ফুটবলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে টুর্নামেন্টের পর্দা নামে এক বর্ণিল আয়োজনে।

রোববার বিকেলে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত এই ফাইনাল ম্যাচ। খেলা শেষে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শুভাশীষ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা। তিনি ক্ষুদে খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সক্ষমতাই বৃদ্ধি করে না, বরং শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দলগত চেতনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ফাইনালে বালিকা বিভাগে মুখোমুখি হয় বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং এপিবিএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্যদিকে বালক বিভাগেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও এপিবিএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দুই বিভাগেই ক্ষুদে খেলোয়াড়রা মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে। এদিন ফাইনাল ম্যাচে বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা দলকে টাইব্রেকারে ৩-৪গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন এপিবিএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্যদিকে একই বিদ্যালয়ের বালক দলও বড় পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে টাইব্রেকারে ৪-৩গোলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন এপিবিএন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ পরিণত হয় আনন্দ-উৎসবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্ট ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।