মনিরামপুরে আরিফ হত্যা রহস্য উদঘাটন: সৎ বাবা ও সহযোগী গ্রেপ্তার, চাপাতি উদ্ধার
- আপডেট: ০৯:৫০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
- / ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের মনিরামপুরে চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস আরিফ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের সৎ বাবা ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত (১ মার্চ ২০২৬) রাত আনুমানিক ১১টা থেকে ২ মার্চ ভোর ৫টার মধ্যে যেকোনো সময় শত্রুতাবশত ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মনিরামপুর থানার বালিধা এলাকার আরিফ হোসেন (১৯)-কে হত্যা করা হয়। পরে হত্যার ঘটনা গোপন করতে তার মরদেহ একটি মাছের ঘেরে ফেলে রাখা হয়।
স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে মনিরামপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বোন জুলিয়া আক্তার বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পরপরই যশোরের পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও মনিরামপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তদন্ত ও অভিযান শুরু করে। পরে গোয়েন্দা তথ্য, আধুনিক প্রযুক্তি ও পুলিশি কৌশল ব্যবহার করে ৪ মার্চ বিকেল আনুমানিক ৪টা ২০ মিনিটে যশোর ডিবি পুলিশের এসআই অলক কুমার দে পিপিএম এর নেতৃত্বে আভিযানিক দল বাগেরহাট জেলার মংলা থানার শেখ আব্দুল হাই সড়কস্থ হাজী শেখ আব্দুস সালাম ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক) হোটেলের তৃতীয় তলার ৭ নম্বর কক্ষ থেকে মামলার প্রধান আসামি নিহতের সৎ বাবা সোহেল মাহমুদ (৩৬) ও তার সহযোগী ফুয়াদ হাসান ওরফে সৌরভ (২৬)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সোহেল মাহমুদ মনিরামপুর থানার বালিধা গ্রামের জালাল উদ্দিন গাজীর ছেলে এবং ফুয়াদ হাসান একই থানার পাঁচাকড়ি গ্রামের আশরাফ সরদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।





















