০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:১৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ১৩

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার দিন শেষে রিজার্ভের এ অবস্থান হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৩৫ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল প্রায় ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে প্রায় ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার; বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২৮ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার। ৮ জানুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার; বিপিএম-৬ হিসাবে ২৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। তবে আকুর দায় বাবদ ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভে সাময়িক চাপ পড়ে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, দেশের রিজার্ভ এখন ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয়। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি—টানা তিন মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ৩০২ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার।

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ ছিল ২০২১ সালের আগস্টে—৪৮ বিলিয়ন ডলার। পরে বিভিন্ন কারণে তা কমতে কমতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান গভর্নর রিজার্ভ থেকে এক ডলারও বিক্রি করেননি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

Please Share This Post in Your Social Media

রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার

আপডেট: ১১:১৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার দিন শেষে রিজার্ভের এ অবস্থান হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৩৫ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল প্রায় ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে প্রায় ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার; বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২৮ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার। ৮ জানুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার; বিপিএম-৬ হিসাবে ২৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। তবে আকুর দায় বাবদ ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভে সাময়িক চাপ পড়ে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, দেশের রিজার্ভ এখন ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয়। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি—টানা তিন মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ৩০২ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার।

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ ছিল ২০২১ সালের আগস্টে—৪৮ বিলিয়ন ডলার। পরে বিভিন্ন কারণে তা কমতে কমতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান গভর্নর রিজার্ভ থেকে এক ডলারও বিক্রি করেননি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।