যশোরে আলমগীর হত্যা মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল উদ্ধার
- আপডেট: ০৭:৩১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
- / ১২

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে আলোচিত আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় মূল শুটারসহ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সর্বশেষ অভিযানে মনিরুল ইসলাম (২৮) নামে আরও এক আসামিকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কালো রঙের একটি Suzuki জিক্সার মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে যশোর কোতোয়ালী মডেল থানার শংকরপুর এলাকায় ইসহাক সড়ক সংলগ্ন হুদা মেমোরিয়ালের পাশে সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত আলমগীর হোসেন (৫৫) নিজ ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্রই পেছন থেকে অনুসরণ করা অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জরুরি বিভাগে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর ডিবি যশোরের এসআই অলক কুমার দে, পিপিএম-এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে হত্যার মূল শুটার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০)-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৭টা ২৫ মিনিটে যশোর ঝুমঝুমপুর (উপজেলার পিছনে) শিক্ষকপাড়া এলাকা থেকে মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন রাত ৮টা ১৫ মিনিটে উপজেলা পরিষদের বিপরীত পাশে বন বিভাগ সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কালো রঙের Suzuki জিক্সার মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মনিরুল ইসলাম যশোর শহরের ষষ্ঠিতলা পাড়া (সার্কিট হাউজ মোড়) এর স্থায়ী বাসিন্দা। তার পিতা আব্দুল খালেক ও মাতা মনি বেগম। বর্তমানে তিনি ঝুমঝুমপুর এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর মনিরুল ইসলাম বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।












