০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত: খাগড়াছড়িতে অস্বচ্ছলদের পাশে পার্বত্য পরিষদের চেয়ারম্যান

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২৪

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে অস্বচ্ছল ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা সদরের খাগড়াপুর এলাকায় চেয়ারম্যানের নিজ বাসভবনে এই মানবিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ইফতার সামগ্রীর মধ্যে ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য, যা রোজাদারদের ইফতার প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে। এ সময় উপস্থিত সুবিধাভোগীরা এমন উদ্যোগের জন্য চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, “রমজান সংযম, সহমর্মিতা ও ভাগাভাগির মাস। সমাজের সামর্থ্যবানদের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই একটি মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।”

তিনি আরও জানান, আগামীতেও এমন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ ধরনের উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা আরও জোরদার হবে বলে সচেতন মহল মনে করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত: খাগড়াছড়িতে অস্বচ্ছলদের পাশে পার্বত্য পরিষদের চেয়ারম্যান

আপডেট: ০৯:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে অস্বচ্ছল ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা সদরের খাগড়াপুর এলাকায় চেয়ারম্যানের নিজ বাসভবনে এই মানবিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ইফতার সামগ্রীর মধ্যে ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য, যা রোজাদারদের ইফতার প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে। এ সময় উপস্থিত সুবিধাভোগীরা এমন উদ্যোগের জন্য চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, “রমজান সংযম, সহমর্মিতা ও ভাগাভাগির মাস। সমাজের সামর্থ্যবানদের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই একটি মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।”

তিনি আরও জানান, আগামীতেও এমন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ ধরনের উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা আরও জোরদার হবে বলে সচেতন মহল মনে করছে।