০৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

খাগড়াছড়িতে ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:২৬:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৩২

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।“পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে আয়োজিত ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা রোববার (১৭ আগস্ট) বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে মেলার সমাপনী ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফেরদৌসী বেগম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ, সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে জনগণের আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি অঞ্চলসহ সারা দেশে পরিকল্পিত বনায়নের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করা সম্ভব।

অনুষ্ঠান শেষে বৃক্ষমেলায় অবদান রাখায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা স্বারক ও পুরস্কৃত করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়িতে ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

আপডেট: ০১:২৬:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।“পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে আয়োজিত ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা রোববার (১৭ আগস্ট) বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে মেলার সমাপনী ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফেরদৌসী বেগম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ, সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে জনগণের আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি অঞ্চলসহ সারা দেশে পরিকল্পিত বনায়নের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা করা সম্ভব।

অনুষ্ঠান শেষে বৃক্ষমেলায় অবদান রাখায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা স্বারক ও পুরস্কৃত করা হয়।