১১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সীমান্তের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৪৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় ইছামতী নদীর জোয়ারের পানিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডাক্তার কাজী নাজিব হাসান প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

তিনি সোমবার সকাল নয়টার দিকে ভারতীয় ইছামতী নদীর সংযোগস্থল দাউদখালী খালমুখের কেটে দেয়া বাঁধ পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি প্লাবিত এলাকায় যান এবং খোজ খবর নেন। তিনি বলেন আগামীতে ইছামতী নদীর জোয়ারের পানি দাউদখালী খাল দিয়ে প্রবেশ করে শার্শার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যাতে ভাসিয়ে দিতে না পারে, এর জন্য খালমুখে মোটরসহ আধুনিক মানের স্লুইজগেট নির্মান ও খাল সংস্কারের পাশাপাশি গোমর বিলের খাল সংস্কার পূর্বক কলারোয়া সীমান্তের সোনাই নদীতে সংযোগ ঘটানোর প্রস্তাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডে পেশ করা হবে।

উল্লেখ্য প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে শার্শা উপজেলা সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় ইছামতী নদীর পানির তোড়ে শার্শার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়। হাজার হাজার বিঘা জমির আউশ ও আমন ফসল বিনষ্ট হয়। এছাড়াও বছরের অর্ধেক সময় ধরে বিলাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এবছর অতি বর্ষনের পাশাপাশি ভারতীয় পানির চাপে রুদ্রপুর, দাউদখালী, ভবানীপুর, কায়বা, পাঁচকায়বা, পাড়ের কায়বা, মহিষা, রাড়ীপুকুর, বসতপুর, ইছাপুর, আমলাই, গোগা, কৃষ্ণপুর, কালীয়ানী, মহিষাডাঙ্গা ও বারো পোতা গ্রাম সহ ২০ /২৫ টি গ্রাম বন্যা পরিস্থিতির কবলে পড়েছে।

কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন বলেন, সকালেই আমি এলাকার বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক রিপোর্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে পেশ করেছি। আশা করি দ্রুতই এর সমাধান হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সীমান্তের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন

আপডেট: ০৮:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় ইছামতী নদীর জোয়ারের পানিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডাক্তার কাজী নাজিব হাসান প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

তিনি সোমবার সকাল নয়টার দিকে ভারতীয় ইছামতী নদীর সংযোগস্থল দাউদখালী খালমুখের কেটে দেয়া বাঁধ পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি প্লাবিত এলাকায় যান এবং খোজ খবর নেন। তিনি বলেন আগামীতে ইছামতী নদীর জোয়ারের পানি দাউদখালী খাল দিয়ে প্রবেশ করে শার্শার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যাতে ভাসিয়ে দিতে না পারে, এর জন্য খালমুখে মোটরসহ আধুনিক মানের স্লুইজগেট নির্মান ও খাল সংস্কারের পাশাপাশি গোমর বিলের খাল সংস্কার পূর্বক কলারোয়া সীমান্তের সোনাই নদীতে সংযোগ ঘটানোর প্রস্তাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডে পেশ করা হবে।

উল্লেখ্য প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে শার্শা উপজেলা সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় ইছামতী নদীর পানির তোড়ে শার্শার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়। হাজার হাজার বিঘা জমির আউশ ও আমন ফসল বিনষ্ট হয়। এছাড়াও বছরের অর্ধেক সময় ধরে বিলাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এবছর অতি বর্ষনের পাশাপাশি ভারতীয় পানির চাপে রুদ্রপুর, দাউদখালী, ভবানীপুর, কায়বা, পাঁচকায়বা, পাড়ের কায়বা, মহিষা, রাড়ীপুকুর, বসতপুর, ইছাপুর, আমলাই, গোগা, কৃষ্ণপুর, কালীয়ানী, মহিষাডাঙ্গা ও বারো পোতা গ্রাম সহ ২০ /২৫ টি গ্রাম বন্যা পরিস্থিতির কবলে পড়েছে।

কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন বলেন, সকালেই আমি এলাকার বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক রিপোর্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে পেশ করেছি। আশা করি দ্রুতই এর সমাধান হবে।