০৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

নির্বাচন ঘিরে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ: প্রেস সচিব

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
  • / ৯২

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সোমবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, “জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া নির্বাচনী কাজে ৬০ হাজার সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে।”

শফিকুল আলম আরও যোগ করেন, “সামনে নির্বাচন আসছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রিভিউ করা হয়েছে। কিছুদিন আগেও প্রধান উপদেষ্টা এরকম একটা মিটিং করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে দ্বিতীয় মিটিং হলো। এই মিটিংয়ে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষযয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত এসেছে।”

মিটিংয়ে প্রথমে আলোচনা হয়েছে কো-অর্ডিনেশন নিয়ে। আর্মি, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এদের মধ্যে কো-অর্ডিনেশন বাড়ানোর কথা বারবার জোর দিয়ে বলা হয়েছে। কো-অর্ডিনেশন লোকাল লেভেলে এবং ন্যাশনাল লেভেলে খুব দ্রুততার সঙ্গে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে-উল্লেখ করেন শফিকুল আলম।

এর আগে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠকে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা সভায় অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিকনির্দেশনা দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

নির্বাচন ঘিরে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ: প্রেস সচিব

আপডেট: ০৪:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সোমবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, “জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া নির্বাচনী কাজে ৬০ হাজার সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে।”

শফিকুল আলম আরও যোগ করেন, “সামনে নির্বাচন আসছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রিভিউ করা হয়েছে। কিছুদিন আগেও প্রধান উপদেষ্টা এরকম একটা মিটিং করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে দ্বিতীয় মিটিং হলো। এই মিটিংয়ে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষযয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত এসেছে।”

মিটিংয়ে প্রথমে আলোচনা হয়েছে কো-অর্ডিনেশন নিয়ে। আর্মি, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এদের মধ্যে কো-অর্ডিনেশন বাড়ানোর কথা বারবার জোর দিয়ে বলা হয়েছে। কো-অর্ডিনেশন লোকাল লেভেলে এবং ন্যাশনাল লেভেলে খুব দ্রুততার সঙ্গে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে-উল্লেখ করেন শফিকুল আলম।

এর আগে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠকে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা সভায় অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিকনির্দেশনা দেন।