০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

ঘটক পরিচয়ে বিয়ের আশ্বাস দেখিয়ে নগদ অর্থ আত্মসাৎ চক্রের মূল হোতা গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / ১১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: অভয়নগর থানার দিন বারান্দি পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা নয়ন হোসেনের জীবন এক অপূর্ব ঘটনায় পরিণত হয়েছিল, যখন তিনি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খুশি হয়ে ঝুঁকি নিয়েছিলেন, কিন্তু তার বিনিময়ে পেয়েছিলেন প্রতারণার শিকার।

ঘটনাটি ঘটে কয়েক দিন আগে, যখন নয়ন হোসেনের মোবাইল ফোনে এক অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে। অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তি নিজেকে ঘটক পরিচয় দিয়ে, তার ভাগ্নির বিয়ে সংক্রান্ত একটি আলোচনা শুরু করে। এই সময়ে, তিনি দুটি মোবাইল নম্বর দেন এবং পরবর্তী সময়ে আবারও ফোন করে, বিয়ের পরবর্তী পর্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।

ভিকটিমের সাথে যোগাযোগের এক পর্যায়ে, “পাত্রের বাবা” নামে পরিচিত ব্যক্তিটি জানায় যে তার ছেলে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে। চিকিৎসার জন্য তড়িঘড়ি ৫০ হাজার টাকা পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিশ্বাস করে নয়ন হোসেন তার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাঠিয়ে দেয়।

কিন্তু পরবর্তীতে যখন আরও ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়, তখন সন্দেহ হওয়ায় ভিকটিম ফোনে যোগাযোগ করলে সেই নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তখনই তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের শিকার হয়েছেন।

নয়ন হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে যশোর জেলা পুলিশ সুপার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয় এবং অভিযানের পর, মঙ্গলবার (৮ জুলাই- ২০২৫) খুলনা জেলার ফুলতলা থানার পয়গ্রাম এলাকা থেকে মূল আসামী মোঃ ইয়াছিন আরাফাত (২০) গ্রেফতার হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়, যা প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী নিজেকে দোষী স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ঘটক পরিচয়ে বিয়ের আশ্বাস দেখিয়ে নগদ অর্থ আত্মসাৎ চক্রের মূল হোতা গ্রেফতার

আপডেট: ০৪:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: অভয়নগর থানার দিন বারান্দি পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা নয়ন হোসেনের জীবন এক অপূর্ব ঘটনায় পরিণত হয়েছিল, যখন তিনি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খুশি হয়ে ঝুঁকি নিয়েছিলেন, কিন্তু তার বিনিময়ে পেয়েছিলেন প্রতারণার শিকার।

ঘটনাটি ঘটে কয়েক দিন আগে, যখন নয়ন হোসেনের মোবাইল ফোনে এক অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে। অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তি নিজেকে ঘটক পরিচয় দিয়ে, তার ভাগ্নির বিয়ে সংক্রান্ত একটি আলোচনা শুরু করে। এই সময়ে, তিনি দুটি মোবাইল নম্বর দেন এবং পরবর্তী সময়ে আবারও ফোন করে, বিয়ের পরবর্তী পর্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।

ভিকটিমের সাথে যোগাযোগের এক পর্যায়ে, “পাত্রের বাবা” নামে পরিচিত ব্যক্তিটি জানায় যে তার ছেলে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে। চিকিৎসার জন্য তড়িঘড়ি ৫০ হাজার টাকা পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিশ্বাস করে নয়ন হোসেন তার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাঠিয়ে দেয়।

কিন্তু পরবর্তীতে যখন আরও ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়, তখন সন্দেহ হওয়ায় ভিকটিম ফোনে যোগাযোগ করলে সেই নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তখনই তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের শিকার হয়েছেন।

নয়ন হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে যশোর জেলা পুলিশ সুপার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয় এবং অভিযানের পর, মঙ্গলবার (৮ জুলাই- ২০২৫) খুলনা জেলার ফুলতলা থানার পয়গ্রাম এলাকা থেকে মূল আসামী মোঃ ইয়াছিন আরাফাত (২০) গ্রেফতার হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়, যা প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী নিজেকে দোষী স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।