০২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে শেষ হলো ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:১৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২০০

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলা নববর্ষ ১৪৩২-কে স্বাগত জানিয়ে শেষ হলো বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা।

সোমবার (সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়, যা শাহবাগ মোড় হয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হয়।

‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ স্লোগান নিয়ে এবারের আনন্দ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, কৃষক ও রিকশাচালক প্রতিনিধি, নারী ফুটবলার এবং ২৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রা বর্ণিল মুখোশ, রঙিন পোস্টার, প্ল্যাকার্ড ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এতে ফিলিস্তিনের পতাকা ও প্রতীকী মোটিফ যেমন- তরমুজের ফালি ব্যবহৃত হয়।

এবারের শোভাযাত্রায় সাতটি বড়, সাতটি মাঝারি ও সাতটি ছোট মোটিফসহ মোট ২১টি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। মূল মোটিফ ছিল ‘স্বৈরাচারের প্রতিকৃতি’। এ ছাড়াও শোভাযাত্রায় পায়রা, মাছ, বাঘ এবং আলোচিত ‘মুগ্ধর পানির বোতল’-এর শিল্পরূপ প্রদর্শিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে শেষ হলো ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’

আপডেট: ০১:১৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলা নববর্ষ ১৪৩২-কে স্বাগত জানিয়ে শেষ হলো বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা।

সোমবার (সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়, যা শাহবাগ মোড় হয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হয়।

‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ স্লোগান নিয়ে এবারের আনন্দ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, কৃষক ও রিকশাচালক প্রতিনিধি, নারী ফুটবলার এবং ২৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রা বর্ণিল মুখোশ, রঙিন পোস্টার, প্ল্যাকার্ড ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এতে ফিলিস্তিনের পতাকা ও প্রতীকী মোটিফ যেমন- তরমুজের ফালি ব্যবহৃত হয়।

এবারের শোভাযাত্রায় সাতটি বড়, সাতটি মাঝারি ও সাতটি ছোট মোটিফসহ মোট ২১টি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। মূল মোটিফ ছিল ‘স্বৈরাচারের প্রতিকৃতি’। এ ছাড়াও শোভাযাত্রায় পায়রা, মাছ, বাঘ এবং আলোচিত ‘মুগ্ধর পানির বোতল’-এর শিল্পরূপ প্রদর্শিত হয়।