০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫

ঈদের টানা ছুটিতে প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে খুশি ঝিনাইদহের গর্ভবতী নারীরা

নিউজ ডেস্ক

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ ঈদের দিন দুপুর সাড়ে ১২টা। সবাই আনন্দে ব্যস্ত। রিমা খাতুন নামে এক গর্ভবতী নারীর কপালে চিন্তার ভাজ। এই ছুটির দিনে প্রসূতি সেবা তিনি কোথায় যাবেন?

সরকারী ও বেসরকারী সব হাসপাতলে টানা ছুটি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও যে যার মতো গ্রামে ঈদ করতে গেছেন। প্রসব বেদনা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। উপায়ান্ত না পেয়ে স্বামী উজ্জল হোসেনের সঙ্গে আসলেন ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে। প্রসব বেদনায় ছটফট করতে থাকা নারী রিমা খাতুনকে দেখে ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের ভিজিটর মুর্শিদা পারভীন ও মনিষা রানী শর্মা দ্রæত তাকে ওটিতে নিয়ে গেলেন। দীর্ঘক্ষন চেষ্টার পর স্বাভাবিক ভাবে বাচ্চা প্রসব করলেন রিমা খাতুন। হাফ ছেড়ে বাঁচলেন রিমা ও তার স্বজনরা। শুধু রিমা খাতনুই নয়, ঈদের টানা ছুটিতে এভাবেই একাধিক প্রসূতি নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে গেছেন ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকরা।

ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর এলাকার উজ্জল হোসেন জানান, ঈদের ছুটির দিন তিনি তার প্রসূতি স্ত্রীকে নিয়ে মহাচিন্তায় ছিলেন। কিন্তু ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সার্বক্ষনিক সেবা চালু থানায় তিনি চিন্তামুক্ত হন। তাছাড়া তেমন অর্থও ব্যায় হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডাঃ মাহবুবা আখতার তাবীয়া জানান, টানা ছুটির মধ্যে ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিজিটর ও কর্মচারীদের সার্বিক সহায়তায় এমন ফলপ্রসূ সেবা অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, বন্ধের মধ্যে দুই জন গর্ভবতী মাকে স্বাভাবিকভাবে প্রসব করানো হয়। এছাড়া একাধীক গর্ভবতী নারীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মোজাম্মেল করিম জানান, জেলার মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলেতে ছুটিকালেও প্রসূতিদের স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়েছে। আগত সেবা প্রত্যাশিদের চাহিদা অনুযায়ী পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রদান অব্যাহত ছিল। তিনি বলেন, ঈদের চলমান ছুটির মধ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গর্ভবতী নারীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা সেবাগ্রহীাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৪:২৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
৫৭

ঈদের টানা ছুটিতে প্রসূতি স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে খুশি ঝিনাইদহের গর্ভবতী নারীরা

আপডেট: ০৪:২৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ ঈদের দিন দুপুর সাড়ে ১২টা। সবাই আনন্দে ব্যস্ত। রিমা খাতুন নামে এক গর্ভবতী নারীর কপালে চিন্তার ভাজ। এই ছুটির দিনে প্রসূতি সেবা তিনি কোথায় যাবেন?

সরকারী ও বেসরকারী সব হাসপাতলে টানা ছুটি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও যে যার মতো গ্রামে ঈদ করতে গেছেন। প্রসব বেদনা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। উপায়ান্ত না পেয়ে স্বামী উজ্জল হোসেনের সঙ্গে আসলেন ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে। প্রসব বেদনায় ছটফট করতে থাকা নারী রিমা খাতুনকে দেখে ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রের ভিজিটর মুর্শিদা পারভীন ও মনিষা রানী শর্মা দ্রæত তাকে ওটিতে নিয়ে গেলেন। দীর্ঘক্ষন চেষ্টার পর স্বাভাবিক ভাবে বাচ্চা প্রসব করলেন রিমা খাতুন। হাফ ছেড়ে বাঁচলেন রিমা ও তার স্বজনরা। শুধু রিমা খাতনুই নয়, ঈদের টানা ছুটিতে এভাবেই একাধিক প্রসূতি নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে গেছেন ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকরা।

ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর এলাকার উজ্জল হোসেন জানান, ঈদের ছুটির দিন তিনি তার প্রসূতি স্ত্রীকে নিয়ে মহাচিন্তায় ছিলেন। কিন্তু ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সার্বক্ষনিক সেবা চালু থানায় তিনি চিন্তামুক্ত হন। তাছাড়া তেমন অর্থও ব্যায় হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার (ক্লিনিক) ডাঃ মাহবুবা আখতার তাবীয়া জানান, টানা ছুটির মধ্যে ঝিনাইদহ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিজিটর ও কর্মচারীদের সার্বিক সহায়তায় এমন ফলপ্রসূ সেবা অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, বন্ধের মধ্যে দুই জন গর্ভবতী মাকে স্বাভাবিকভাবে প্রসব করানো হয়। এছাড়া একাধীক গর্ভবতী নারীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মোজাম্মেল করিম জানান, জেলার মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলেতে ছুটিকালেও প্রসূতিদের স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়েছে। আগত সেবা প্রত্যাশিদের চাহিদা অনুযায়ী পরিবার পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রদান অব্যাহত ছিল। তিনি বলেন, ঈদের চলমান ছুটির মধ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গর্ভবতী নারীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা সেবাগ্রহীাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান