১০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন চীনা প্রেসিডেন্ট

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • / ৩৬৪

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : বাংলাদেশের ৫৪তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন।

বুধবার (২৬ মার্চ) চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম সিএমজি এ খবর জানিয়েছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও অভিনন্দন বাণী পাঠিয়েছেন।

অভিনন্দন বার্তায় শি জিনপিং উল্লেখ করেছেন, গত অর্ধ শতাব্দীতে, চীন ও বাংলাদেশ সবসময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতর ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নত করেছে, দু’দেশ সবসময় পরস্পরকে সম্মান করেছে, সমতাসম্পন্ন আচরণ করেছে এবং সহযোগিতা করেছে। দু’দেশের বিভিন্ন খাতের সহযোগিতা ফলপ্রসূ হয়েছে। যা দু’দেশের জনগণের জন্য বাস্তব কল্যাণ বয়ে এনেছে।

আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াই ১৯৭১ সালে এসে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে জাতীয় পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।

Please Share This Post in Your Social Media

স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানালেন চীনা প্রেসিডেন্ট

আপডেট: ১১:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : বাংলাদেশের ৫৪তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন।

বুধবার (২৬ মার্চ) চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম সিএমজি এ খবর জানিয়েছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও অভিনন্দন বাণী পাঠিয়েছেন।

অভিনন্দন বার্তায় শি জিনপিং উল্লেখ করেছেন, গত অর্ধ শতাব্দীতে, চীন ও বাংলাদেশ সবসময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতর ভিত্তিতে সম্পর্ক উন্নত করেছে, দু’দেশ সবসময় পরস্পরকে সম্মান করেছে, সমতাসম্পন্ন আচরণ করেছে এবং সহযোগিতা করেছে। দু’দেশের বিভিন্ন খাতের সহযোগিতা ফলপ্রসূ হয়েছে। যা দু’দেশের জনগণের জন্য বাস্তব কল্যাণ বয়ে এনেছে।

আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াই ১৯৭১ সালে এসে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে জাতীয় পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি।