১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বেনাপোল বন্দরে অবৈধ ইলিশের চালান আটক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৫০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোঘনা দিয়ে আমদানিকৃত ১২ প্যাকেজ ইলিশের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস।

২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তারা ইলিশের এ চালান আটক করে। অভিযুক্ত আমদানিকারক সর্নালী এন্টার প্রাইজ এবং পাচারে সহযোগীতা করছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শাউন সিপিং।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন জানায়, তাদের কাছে গোঁপন খবর আসে সাদা মাছ ঘোষনা দিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করে বন্দর থেকে পাচারের চেষ্টা করছে একটি চক্র। পরে বন্দরের ৩১ নাম্বার শেডে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় একটি মাছের ট্রাক তল্লাশী করা হয়। এসময় ২৬৪ প্যাকেজ সাদা মাছের মধ্যে ১২ প্যাকেজ অবৈধ ইলিশ পাওয়া যায়। অভিযুক্ত সিঅ্যান্ডএফ ও আমদানিকারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এছাড়া আটককৃত মাছ নিলামে বিক্রি করা হয়েছে বলেও জানায় কাস্টমস।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ জানুয়ারী মিথ্যা ঘোষনার প্রায় কোটি টাকা মুল্যের ৫৩ কাটুন ইলিশ আটক করে বেনাপোল কাস্টমস। যেটি পাচারের চেষ্টা করছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিংক ইন্টারন্যাশনাল এবং আমদানিকারক ছিল জান্নাত এন্টার প্রাইজ।

জানা যায়, ধরা পড়া ইলিশটি চন্দনা ইলিশ নামে পরিচিত। দেশীয় আমদানিকারকেরা ভারতীয় কম দামের এই ইলিশ আমদানি করে পদ্মা৷ ইলিশ নাম ব্যবহার করে দেশে চড়া দামে বিক্রয় করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে ২০২৪’র আগস্টের পর থেকে বেনাপোল বন্দরে পণ্য পাচার ও নানান অনিয়ম আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আলোচিত এসসব দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের মধ্যে শীর্ষে আছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হুদা ইন্টারন্যাশনাল, এমি এন্টার প্রাইজ, মেসার্স লিংক ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স রয়েল এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স করিম অ্যান্ড সন্স।

অভিযোগ উঠেছে এসব দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের বৈধ আয়ের সাথে অর্জিত সম্পদের কোন মিল নাই।

Please Share This Post in Your Social Media

বেনাপোল বন্দরে অবৈধ ইলিশের চালান আটক

আপডেট: ১১:৫০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোঘনা দিয়ে আমদানিকৃত ১২ প্যাকেজ ইলিশের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস।

২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তারা ইলিশের এ চালান আটক করে। অভিযুক্ত আমদানিকারক সর্নালী এন্টার প্রাইজ এবং পাচারে সহযোগীতা করছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শাউন সিপিং।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন জানায়, তাদের কাছে গোঁপন খবর আসে সাদা মাছ ঘোষনা দিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করে বন্দর থেকে পাচারের চেষ্টা করছে একটি চক্র। পরে বন্দরের ৩১ নাম্বার শেডে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় একটি মাছের ট্রাক তল্লাশী করা হয়। এসময় ২৬৪ প্যাকেজ সাদা মাছের মধ্যে ১২ প্যাকেজ অবৈধ ইলিশ পাওয়া যায়। অভিযুক্ত সিঅ্যান্ডএফ ও আমদানিকারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এছাড়া আটককৃত মাছ নিলামে বিক্রি করা হয়েছে বলেও জানায় কাস্টমস।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ জানুয়ারী মিথ্যা ঘোষনার প্রায় কোটি টাকা মুল্যের ৫৩ কাটুন ইলিশ আটক করে বেনাপোল কাস্টমস। যেটি পাচারের চেষ্টা করছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিংক ইন্টারন্যাশনাল এবং আমদানিকারক ছিল জান্নাত এন্টার প্রাইজ।

জানা যায়, ধরা পড়া ইলিশটি চন্দনা ইলিশ নামে পরিচিত। দেশীয় আমদানিকারকেরা ভারতীয় কম দামের এই ইলিশ আমদানি করে পদ্মা৷ ইলিশ নাম ব্যবহার করে দেশে চড়া দামে বিক্রয় করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে ২০২৪’র আগস্টের পর থেকে বেনাপোল বন্দরে পণ্য পাচার ও নানান অনিয়ম আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আলোচিত এসসব দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের মধ্যে শীর্ষে আছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হুদা ইন্টারন্যাশনাল, এমি এন্টার প্রাইজ, মেসার্স লিংক ইন্টারন্যাশনাল, মেসার্স রয়েল এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স করিম অ্যান্ড সন্স।

অভিযোগ উঠেছে এসব দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের বৈধ আয়ের সাথে অর্জিত সম্পদের কোন মিল নাই।