শার্শায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে হত্যাকাণ্ড, প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার-৪
- আপডেট: ০২:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
- / ১

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শায় অপহরণের এক মাস পর ইকরামুল কবির (২৬) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত তিন আসামি ও মূল হোতাসহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার দক্ষিণ বারপোতা গ্রামের মৃত মতলেব আলীর ছেলে মোঃ আব্দুর রশিদ (৫৭) গত ৮ এপ্রিল আদালতে একটি নালিশি দরখাস্ত দায়ের করেন। এতে তিনি অভিযোগ করেন, একই দিন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তার ছেলে ইকরামুল কবিরকে শার্শা থানার সেতাই গ্রামে বোনের বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর তাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণ দাবি ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।
এ ঘটনায় শার্শা থানায় একটি অপহরণ মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই চঞ্চল কুমার বিশ্বাসের ওপর।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ প্রথমে মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন— মিসেস মুন্নি আক্তার ওরফে মুন্নি (৩৬), কাকলী আক্তার ওরফে কাকলী (৩৪) ও ফজলু ওরফে ফজু মোড়ল (৬০)।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার মূল আসামি আল ফরহাদকে (২৩) আটক করা হয়। তিনি শার্শা থানার বসতপুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে এবং মামলার ২ নম্বর আসামি মুন্নির তৃতীয় স্বামী।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আল ফরহাদ জানান, তার স্ত্রীর সঙ্গে ভিকটিম ইকরামুল কবিরের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ইকরামুলকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বসতপুরে আসামি তার বসতবাড়িতে গরুর গোয়ালঘরের ভেতরে গর্ত করে পুঁতে তার ওপর কংক্রিটের ঢালাই দেন।
আসামির দেখানো স্থান থেকে পুলিশ ইকরামুল কবিরের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের বাবা মরদেহ শনাক্ত করেন।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, গ্রেফতার চার আসামিকে রোববার (১০ মে) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।





















