০২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে, সংসদে বিল পাস

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে জাতীয় সংসদে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে পূর্বে জারি করা নিষেধাজ্ঞা আইনগত ভিত্তি পেল।

এর আগে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের ভিত্তিতে কার্যকর ছিল।

পরবর্তীতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক গঠিত একটি বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা করে সংশোধিত আকারে সংসদে আইন হিসেবে পাসের সুপারিশ করে। কমিটির সুপারিশের আলোকে বিলটি সংসদে উত্থাপন ও পাস করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে এবং রাজনৈতিক ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার ফলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পাশাপাশি দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। অর্থাৎ, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিচারের পথ সুগম হবে।

এদিকে, বিল পাসের পর এ বিষয়ে সরকারিভাবে বিস্তারিত বিধিমালা ও প্রয়োগ পদ্ধতি শিগগিরই জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে, সংসদে বিল পাস

আপডেট: ০৭:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে জাতীয় সংসদে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে পূর্বে জারি করা নিষেধাজ্ঞা আইনগত ভিত্তি পেল।

এর আগে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের ভিত্তিতে কার্যকর ছিল।

পরবর্তীতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক গঠিত একটি বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা করে সংশোধিত আকারে সংসদে আইন হিসেবে পাসের সুপারিশ করে। কমিটির সুপারিশের আলোকে বিলটি সংসদে উত্থাপন ও পাস করা হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে এবং রাজনৈতিক ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিল আইনে পরিণত হওয়ার ফলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পাশাপাশি দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। অর্থাৎ, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিচারের পথ সুগম হবে।

এদিকে, বিল পাসের পর এ বিষয়ে সরকারিভাবে বিস্তারিত বিধিমালা ও প্রয়োগ পদ্ধতি শিগগিরই জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।