০১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

শালিথায় শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন শুরু

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • / ১৫

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি: লক্ষণ কুমার মন্ডল।
মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজারের নিকটবর্তী দরিশলই সর্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন। গত ১০ই চৈত্র (২৫শে মার্চ) বুধবার থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই ধর্মীয় উৎসবের সূচনা হয়।

তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এর আহবায়ক এ্যাড:কুমুদ রঞ্জন বিশ্বাস, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিধান কুমার বিশ্বাস, সদস্য সচিব সাধন কুমার ঘোষ, সদস্য এ্যাড: সুব্রত কুমার ঘোষ, এ্যাড:দেবব্রত ঘোষ।

উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এর আহবায়ক গোবিন্দ চন্দ্র বিশ্বাস, সদস্য সুমন বিশ্বাস, পলাশ বিশ্বাস, শুনেন্দু বিশ্বাস, সঞ্জয়, প্রভাষক নয়ন সাহা।

উৎসবের প্রথম দিনে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করেন ভারতের নবদ্বীপ থেকে আগত শ্রীশ্রী গোপালদি আশ্রমের পাঠক তমালকৃষ্ণ বাবাজী।

১১ই চৈত্র (২৬শে মার্চ) বৃহস্পতিবার অরুণোদয় থেকে শুরু হয়েছে ১৬ প্রহরব্যাপী অখণ্ড শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম সংকীর্তন, যা চলবে শুক্রবার পর্যন্ত।

​আজ ১৩ই চৈত্র (২৮শে মার্চ) শনিবার অষ্টকালীন লীলা কীর্তন এবং ১৪ই চৈত্র (২৯শে মার্চ) রবিবার দধিভাণ্ড ভঞ্জন, কুঞ্জভঙ্গ ও নগর কীর্তনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে। সমাপনী দিনে মধ্যাহ্নে মহাপ্রভুর ভোগরাগ ও প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নামসুধা পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছে খুলনার শ্রী গুরু নির্মল ঠাকুর সম্প্রদায় ও শিখা রানী সম্প্রদায়, সাতক্ষীরার রাধা রানী সম্প্রদায় ও গুরু কৃষ্ণ সম্প্রদায়, দিঘলিয়ার পার্থ সম্প্রদায়, নড়াইলের রূপ সনাতন সম্প্রদায় এবং স্থানীয় দরিশলই শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ সম্প্রদায়। এছাড়া অষ্টকালীন লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন সাতক্ষীরার নিতাই কৃষ্ণ দাস ও ঝর্ণা রায় এবং টাঙ্গাইলের শেফালী সরকার।

রিশলই সর্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সেবকবৃন্দ জানান, বিশ্বশান্তি ও জগতের সকল জীবের মঙ্গল কামনায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই মহতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় আরতি ও ভক্তদের জন্য মহাপ্রসাদের সুব্যবস্থা রয়েছে। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল ভক্তবৃন্দকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

শালিথায় শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন শুরু

আপডেট: ১১:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি: লক্ষণ কুমার মন্ডল।
মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজারের নিকটবর্তী দরিশলই সর্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন। গত ১০ই চৈত্র (২৫শে মার্চ) বুধবার থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই ধর্মীয় উৎসবের সূচনা হয়।

তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এর আহবায়ক এ্যাড:কুমুদ রঞ্জন বিশ্বাস, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিধান কুমার বিশ্বাস, সদস্য সচিব সাধন কুমার ঘোষ, সদস্য এ্যাড: সুব্রত কুমার ঘোষ, এ্যাড:দেবব্রত ঘোষ।

উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট এর আহবায়ক গোবিন্দ চন্দ্র বিশ্বাস, সদস্য সুমন বিশ্বাস, পলাশ বিশ্বাস, শুনেন্দু বিশ্বাস, সঞ্জয়, প্রভাষক নয়ন সাহা।

উৎসবের প্রথম দিনে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করেন ভারতের নবদ্বীপ থেকে আগত শ্রীশ্রী গোপালদি আশ্রমের পাঠক তমালকৃষ্ণ বাবাজী।

১১ই চৈত্র (২৬শে মার্চ) বৃহস্পতিবার অরুণোদয় থেকে শুরু হয়েছে ১৬ প্রহরব্যাপী অখণ্ড শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম সংকীর্তন, যা চলবে শুক্রবার পর্যন্ত।

​আজ ১৩ই চৈত্র (২৮শে মার্চ) শনিবার অষ্টকালীন লীলা কীর্তন এবং ১৪ই চৈত্র (২৯শে মার্চ) রবিবার দধিভাণ্ড ভঞ্জন, কুঞ্জভঙ্গ ও নগর কীর্তনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে। সমাপনী দিনে মধ্যাহ্নে মহাপ্রভুর ভোগরাগ ও প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নামসুধা পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছে খুলনার শ্রী গুরু নির্মল ঠাকুর সম্প্রদায় ও শিখা রানী সম্প্রদায়, সাতক্ষীরার রাধা রানী সম্প্রদায় ও গুরু কৃষ্ণ সম্প্রদায়, দিঘলিয়ার পার্থ সম্প্রদায়, নড়াইলের রূপ সনাতন সম্প্রদায় এবং স্থানীয় দরিশলই শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ সম্প্রদায়। এছাড়া অষ্টকালীন লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন সাতক্ষীরার নিতাই কৃষ্ণ দাস ও ঝর্ণা রায় এবং টাঙ্গাইলের শেফালী সরকার।

রিশলই সর্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সেবকবৃন্দ জানান, বিশ্বশান্তি ও জগতের সকল জীবের মঙ্গল কামনায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই মহতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় আরতি ও ভক্তদের জন্য মহাপ্রসাদের সুব্যবস্থা রয়েছে। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল ভক্তবৃন্দকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।