১১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

২৫শে মার্চের সব শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / ১৯

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২৫শে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে এক বাণীতে ১৯৭১ সালের এই কালো রাতে নিহত সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাণীতে তিনি দিনটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কিত ও নৃশংসতম অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র ও স্বাধীনতাকামী বাঙালির ওপর ইতিহাসের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষের ওপর এই সুপরিকল্পিত আক্রমণ চালানো হয়।

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে সেই সময়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, এমন সুপরিকল্পিত গণহত্যা কেন প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি, তা আজও ইতিহাসের গবেষণার দাবি রাখে। তবে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সেই ভয়াবহ রাতেই চট্টগ্রামের অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ‘উই রিভোল্ট’ বলে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র প্রতিরোধের ডাক দেয়, যা পরবর্তী নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে।

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত তাৎপর্য বুঝতে হলে ২৫ মার্চের সেই গণহত্যার ইতিহাস জানা অপরিহার্য। তিনি রাষ্ট্র ও সমাজে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতিদান দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আমি প্রার্থনা করি, তিনি যেন সব শহিদের বিদেহী আত্মাকে মাগফেরাত দান করেন। আমি ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

২৫শে মার্চের সব শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আপডেট: ০৮:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২৫শে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে এক বাণীতে ১৯৭১ সালের এই কালো রাতে নিহত সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাণীতে তিনি দিনটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কিত ও নৃশংসতম অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র ও স্বাধীনতাকামী বাঙালির ওপর ইতিহাসের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষের ওপর এই সুপরিকল্পিত আক্রমণ চালানো হয়।

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে সেই সময়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, এমন সুপরিকল্পিত গণহত্যা কেন প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি, তা আজও ইতিহাসের গবেষণার দাবি রাখে। তবে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সেই ভয়াবহ রাতেই চট্টগ্রামের অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ‘উই রিভোল্ট’ বলে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র প্রতিরোধের ডাক দেয়, যা পরবর্তী নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে।

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত তাৎপর্য বুঝতে হলে ২৫ মার্চের সেই গণহত্যার ইতিহাস জানা অপরিহার্য। তিনি রাষ্ট্র ও সমাজে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতিদান দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আমি প্রার্থনা করি, তিনি যেন সব শহিদের বিদেহী আত্মাকে মাগফেরাত দান করেন। আমি ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।’