১০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

শার্শা থানার ওসি প্রত্যাহার ও সাংবাদিক মনিরুলের মুক্তির দাবিতে যশোরের এসপিকে সাংবাদিক ইউনিয়নের স্মারকলিপি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২০০

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল আলিমকে প্রত্যাহার ও সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনির নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে যশোরের পুলিশ সুপার রওনক জাহানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন।

বুধবার (৮ অক্টোবর-২০২৫) সকাল ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন: প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক লোকসমাজের সম্পাদক আনোয়ারুল কবির নান্টু, যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাব যশোরের সহ-সভাপতি শেখ দিনু আহমেদ, দৈনিক গ্রামের কাগজের সহযোগী সম্পাদক ও যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মোর্শেদ আলম, প্রেসক্লাব শার্শার সভাপতি আহম্মাদআলী শাহিন, বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, বাগআঁচড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, সাংবাদিক নেতা আতাউর রহমান জসি, সাংবাদিক শরাফত উদ্দিন, সাংবাদিক ওসমান গনি, সাংবাদিক কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া বাঘারপাড়া, অভয়নগর, শার্শা, বেনাপোল, ঝিকরগাছা, নাভারণ,বাগআঁচড়া সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইউনিট প্রধান ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপি প্রদান কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ১১ সেপ্টেম্বর শার্শা থানার ওসি এক স্কুলছাত্রের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনিকে উলশী গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে আনেন। মনিরুল অভিযোগটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চাইলে, ওসি একটি ফোনকল রিসিভ করে একান্তে কথা বলেন। পরে তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিক মনিকে হাতকড়া পরিয়ে মামলা দিয়ে দ্রুত আদালতে পাঠানো হয়।

সাংবাদিক সমাজ মনে করছে, কোনো প্রকার প্রাথমিক অনুসন্ধান বা আলামত ছাড়াই একজন সিনিয়র সাংবাদিককে জেলে পাঠানো ফ্যাসিবাদী আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ। ৩০বছরের সাংবাদিকতা জীবনে মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো অনৈতিকতা বা চারিত্রিক অভিযোগ নেই। বরং তিনি অতীতে অন্তত দু’বার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েছেন।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, শার্শা থানার ওসি বহাল থাকলে সাংবাদিক মনির ন্যায়বিচার পাবেন না। তাই সাংবাদিক সমাজ একযোগে ওসিকে প্রত্যাহার এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিক মনিরুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি ও শার্শা থানার ওসিকে দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এ দাবিতে যশোর, শার্শা ও বেনাপোলের সাংবাদিক সমাজ ইতিমধ্যে একাধিক মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর-২০২৫) বেনাপোল স্থলবন্দর অবরোধ কর্মসূচিও রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শা থানার ওসি প্রত্যাহার ও সাংবাদিক মনিরুলের মুক্তির দাবিতে যশোরের এসপিকে সাংবাদিক ইউনিয়নের স্মারকলিপি

আপডেট: ০৫:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল আলিমকে প্রত্যাহার ও সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনির নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে যশোরের পুলিশ সুপার রওনক জাহানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন।

বুধবার (৮ অক্টোবর-২০২৫) সকাল ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন: প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক লোকসমাজের সম্পাদক আনোয়ারুল কবির নান্টু, যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাব যশোরের সহ-সভাপতি শেখ দিনু আহমেদ, দৈনিক গ্রামের কাগজের সহযোগী সম্পাদক ও যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মোর্শেদ আলম, প্রেসক্লাব শার্শার সভাপতি আহম্মাদআলী শাহিন, বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, বাগআঁচড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, সাংবাদিক নেতা আতাউর রহমান জসি, সাংবাদিক শরাফত উদ্দিন, সাংবাদিক ওসমান গনি, সাংবাদিক কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া বাঘারপাড়া, অভয়নগর, শার্শা, বেনাপোল, ঝিকরগাছা, নাভারণ,বাগআঁচড়া সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইউনিট প্রধান ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপি প্রদান কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ১১ সেপ্টেম্বর শার্শা থানার ওসি এক স্কুলছাত্রের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনিকে উলশী গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে আনেন। মনিরুল অভিযোগটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চাইলে, ওসি একটি ফোনকল রিসিভ করে একান্তে কথা বলেন। পরে তদন্ত ছাড়াই সাংবাদিক মনিকে হাতকড়া পরিয়ে মামলা দিয়ে দ্রুত আদালতে পাঠানো হয়।

সাংবাদিক সমাজ মনে করছে, কোনো প্রকার প্রাথমিক অনুসন্ধান বা আলামত ছাড়াই একজন সিনিয়র সাংবাদিককে জেলে পাঠানো ফ্যাসিবাদী আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ। ৩০বছরের সাংবাদিকতা জীবনে মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো অনৈতিকতা বা চারিত্রিক অভিযোগ নেই। বরং তিনি অতীতে অন্তত দু’বার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েছেন।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, শার্শা থানার ওসি বহাল থাকলে সাংবাদিক মনির ন্যায়বিচার পাবেন না। তাই সাংবাদিক সমাজ একযোগে ওসিকে প্রত্যাহার এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিক মনিরুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি ও শার্শা থানার ওসিকে দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এ দাবিতে যশোর, শার্শা ও বেনাপোলের সাংবাদিক সমাজ ইতিমধ্যে একাধিক মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর-২০২৫) বেনাপোল স্থলবন্দর অবরোধ কর্মসূচিও রয়েছে।