০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

মাইনি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সেনাবাহিনীর বীরত্বপূর্ণ উদ্ধার অভিযান

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৯৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।। রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লঞ্চঘাট সংলগ্ন হোটেল নিসা-র রান্নাঘরের চুলা থেকে সূত্রপাত হওয়া আগুন দ্রুতই পার্শ্ববর্তী দোকানগুলোতে ছড়িয়ে বিশাল আকার ধারণ করে।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদের নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত টু-আইসি মেজর রিফাত উদ্দিন আহমেদ লিয়নের নেতৃত্বে ৫০ জনের একটি উদ্ধার দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় লংগদু ফায়ার সার্ভিস, আনসার ব্যাটালিয়নের একটি উদ্ধার দল এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডে একটি চায়ের দোকান, হোস্টেল, মুদি দোকান, দুইতলা গোডাউন, ভাঙারীর দোকান ও একটি বসতঘরসহ প্রায় ১২-১৫টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২ কোটি টাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ বলেন,”যেকোনো দুর্যোগে লংগদু জোন সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।”

স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এ সাহসী ও মানবিক উদ্যোগকে ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

মাইনি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সেনাবাহিনীর বীরত্বপূর্ণ উদ্ধার অভিযান

আপডেট: ০৩:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।। রাঙামাটির লংগদু উপজেলার মাইনি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লঞ্চঘাট সংলগ্ন হোটেল নিসা-র রান্নাঘরের চুলা থেকে সূত্রপাত হওয়া আগুন দ্রুতই পার্শ্ববর্তী দোকানগুলোতে ছড়িয়ে বিশাল আকার ধারণ করে।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদের নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত টু-আইসি মেজর রিফাত উদ্দিন আহমেদ লিয়নের নেতৃত্বে ৫০ জনের একটি উদ্ধার দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় লংগদু ফায়ার সার্ভিস, আনসার ব্যাটালিয়নের একটি উদ্ধার দল এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডে একটি চায়ের দোকান, হোস্টেল, মুদি দোকান, দুইতলা গোডাউন, ভাঙারীর দোকান ও একটি বসতঘরসহ প্রায় ১২-১৫টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২ কোটি টাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ বলেন,”যেকোনো দুর্যোগে লংগদু জোন সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।”

স্থানীয় জনগণ সেনাবাহিনীর এ সাহসী ও মানবিক উদ্যোগকে ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।