০৪:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

কৃষিই সমৃদ্ধি: খাগড়াছড়িতে বিনা ধান-১৯ নিয়ে শস্যকর্তন ও মাঠ দিবস

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৪৪

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: “কৃষিই সমৃদ্ধি” এই মূলমন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্রের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো শস্যকর্তন ও মাঠ দিবস। রবিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কমলছড়ি ইউনিয়নের যাদুরাম পাড়ায় এই আয়োজনে বিনা উদ্ভাবিত স্বল্পজীবনকালীন উচ্চ ফলনশীল আউশ ধান বিনা ধান-১৯ এর চাষাবাদ সম্প্রসারণ ও প্রচারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কৃষকদের উপস্থিতি ছিল উৎসাহব্যঞ্জক।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. বাছিরুল আলম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অং সিং হ্লা মারমা। প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন বিনা’র মহাপরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিনা) উপ-কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিগ্যান গুপ্ত।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিনা ধান-১৯ কম সময়ে বেশি ফলন দেয় এবং কৃষকদের আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। কৃষক-কৃষাণীরা নিজেরা মাঠে ফসল দেখে অভিভূত হয়ে জানান, এ ধরনের উদ্যোগ তাদের কৃষি কাজে উৎসাহ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

Please Share This Post in Your Social Media

কৃষিই সমৃদ্ধি: খাগড়াছড়িতে বিনা ধান-১৯ নিয়ে শস্যকর্তন ও মাঠ দিবস

আপডেট: ১১:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: “কৃষিই সমৃদ্ধি” এই মূলমন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্রের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো শস্যকর্তন ও মাঠ দিবস। রবিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কমলছড়ি ইউনিয়নের যাদুরাম পাড়ায় এই আয়োজনে বিনা উদ্ভাবিত স্বল্পজীবনকালীন উচ্চ ফলনশীল আউশ ধান বিনা ধান-১৯ এর চাষাবাদ সম্প্রসারণ ও প্রচারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কৃষকদের উপস্থিতি ছিল উৎসাহব্যঞ্জক।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. বাছিরুল আলম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অং সিং হ্লা মারমা। প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন বিনা’র মহাপরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিনা) উপ-কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিগ্যান গুপ্ত।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিনা ধান-১৯ কম সময়ে বেশি ফলন দেয় এবং কৃষকদের আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। কৃষক-কৃষাণীরা নিজেরা মাঠে ফসল দেখে অভিভূত হয়ে জানান, এ ধরনের উদ্যোগ তাদের কৃষি কাজে উৎসাহ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।