১১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

প্রত্যাবাসনপত্রে নাজিবুল্লাহ’র আত্মহত্যা উল্লেখ থাকলেও দুইনারীসহ ৭ ব্যক্তিকে হত্যা মামলার আসামী করার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / ১৩৯

নড়াইল পৌর প্রতিনিধিঃ সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত কনস্যুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভাইস-কনস্যুল ফাহমি মোহাম্মদ সাইফ স্বাক্ষরিত প্রত্যাবাসনপত্রে নড়াইল সদর উপজেলার মিরাপাড়া গ্রামের নাজিবুল্লাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ থাকলেও এ ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে দুইনারীসহ ৭ নিরীহ ব্যক্তিকে আসামি করে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আসামীরা। মৃত নাজিবুল্লাহ ভদ্রবিলা ইউনিয়নের মো: কেরামত শেখের পুত্র।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৭ মার্চ কাজের সন্ধানে ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যান মিরাপাড়া গ্রামের কেরামত শেখে পুত্র নাজিবুল্লাহ শেখ (২২)।সৌদি আরবে গমনের ২মাস ২০দিন পর স্বজনরা জানতে পারেন নাজিবুল্লাহ’র লাশ সৌদি আরবের জেদ্দায় কিং আব্দুল্লাহ আজিজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বর নাজিবুল্লাহ’র লাশ ঢাকা বিমান বন্দর হয়ে মিরাপাড়ার বাড়িতে আসে।মৃতের চাচাতো ভাই শেখ রিহান উদ্দিন এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে মিরাপাড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন মিনা,কুরছিয়া খানম, আমিনুর মিনা, চাঁচড়া গ্রামের সাইফুল আব্দার, আব্দারের স্ত্রী রাবেয়া বেগম, কাগজীপাড়া গ্রামের সোলাইমান মৃধা এবং যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার সিলুমপুর গ্রামের জিকু মোল্যাকে আসামী করে নড়াইল মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।আদালতের আদেশে ২০২২ সালের ১৯ অক্টোবর নড়াইল সদর থানায় এ মামলার এজাহার দায়ের হয়।

আসামীরা যোগসাজশে নাজিবুল্লাহকে শ^াসরোধ করে হত্যা করেছে বলে মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।পরবর্তীতে আসামীদের নামে আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো: রকিব হোসেন।

মামলার আসামী সাইফুল আব্দার জানান, নাজিবুল্লাহ সৌদি আরবে আত্মহত্যা করলেও ষড়যন্ত্রমূলক ও পরিকল্পিতভাবে আমাদের আসামী করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

নাজিবুল্লাহ সৌদি আরবে কাজের সন্ধানে গিয়ে কিছুদিন পর আত্মহত্যা করলেও বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আমি ও আমার স্ত্রীসহ ৭জনের নামে মামলা দেয়া হয়েছে। লাশ বাংলাদেশে পাঠানোর সময় সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত কনস্যুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভাইস-কনস্যুল ফাহমি মোহাম্মদ সাইফ স্বাক্ষরিত প্রত্যাবাসনপত্রে নাজিবুল্লাহ ২০২২ সালের ৫জুন আত্মহত্যা করেছেন মর্মে উল্লেখ করেছেন।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছি।অন্য আসামীরাও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

প্রত্যাবাসনপত্রে নাজিবুল্লাহ’র আত্মহত্যা উল্লেখ থাকলেও দুইনারীসহ ৭ ব্যক্তিকে হত্যা মামলার আসামী করার অভিযোগ

আপডেট: ১০:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

নড়াইল পৌর প্রতিনিধিঃ সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত কনস্যুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভাইস-কনস্যুল ফাহমি মোহাম্মদ সাইফ স্বাক্ষরিত প্রত্যাবাসনপত্রে নড়াইল সদর উপজেলার মিরাপাড়া গ্রামের নাজিবুল্লাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ থাকলেও এ ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে দুইনারীসহ ৭ নিরীহ ব্যক্তিকে আসামি করে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আসামীরা। মৃত নাজিবুল্লাহ ভদ্রবিলা ইউনিয়নের মো: কেরামত শেখের পুত্র।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৭ মার্চ কাজের সন্ধানে ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যান মিরাপাড়া গ্রামের কেরামত শেখে পুত্র নাজিবুল্লাহ শেখ (২২)।সৌদি আরবে গমনের ২মাস ২০দিন পর স্বজনরা জানতে পারেন নাজিবুল্লাহ’র লাশ সৌদি আরবের জেদ্দায় কিং আব্দুল্লাহ আজিজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বর নাজিবুল্লাহ’র লাশ ঢাকা বিমান বন্দর হয়ে মিরাপাড়ার বাড়িতে আসে।মৃতের চাচাতো ভাই শেখ রিহান উদ্দিন এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে মিরাপাড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন মিনা,কুরছিয়া খানম, আমিনুর মিনা, চাঁচড়া গ্রামের সাইফুল আব্দার, আব্দারের স্ত্রী রাবেয়া বেগম, কাগজীপাড়া গ্রামের সোলাইমান মৃধা এবং যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার সিলুমপুর গ্রামের জিকু মোল্যাকে আসামী করে নড়াইল মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।আদালতের আদেশে ২০২২ সালের ১৯ অক্টোবর নড়াইল সদর থানায় এ মামলার এজাহার দায়ের হয়।

আসামীরা যোগসাজশে নাজিবুল্লাহকে শ^াসরোধ করে হত্যা করেছে বলে মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।পরবর্তীতে আসামীদের নামে আদালতে চার্জশীট প্রদান করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো: রকিব হোসেন।

মামলার আসামী সাইফুল আব্দার জানান, নাজিবুল্লাহ সৌদি আরবে আত্মহত্যা করলেও ষড়যন্ত্রমূলক ও পরিকল্পিতভাবে আমাদের আসামী করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

নাজিবুল্লাহ সৌদি আরবে কাজের সন্ধানে গিয়ে কিছুদিন পর আত্মহত্যা করলেও বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আমি ও আমার স্ত্রীসহ ৭জনের নামে মামলা দেয়া হয়েছে। লাশ বাংলাদেশে পাঠানোর সময় সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত কনস্যুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ কার্যালয়ের ভাইস-কনস্যুল ফাহমি মোহাম্মদ সাইফ স্বাক্ষরিত প্রত্যাবাসনপত্রে নাজিবুল্লাহ ২০২২ সালের ৫জুন আত্মহত্যা করেছেন মর্মে উল্লেখ করেছেন।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছি।অন্য আসামীরাও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।