০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণহত্যা: চুপ্পুর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • / ১৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও দমন-পীড়নে সংশ্লিষ্টতায় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি (বিএপি)।

রোববার দুপুরে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগ জমা দেন বিএপির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান।

অভিযোগ দাখিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএপির সভাপতি হাসিনুর রহমান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব চলাকালে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। দেশের শীর্ষ পদে আসীন থেকে এসব দেখলেও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি ওই সময় পদত্যাগও করতে পারতেন, কিন্তু তা-ও করেননি। ফলে তিনি এই গণহত্যার দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। তাই ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতার নীতি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।’

বিএপির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

জুলাই গণহত্যা: চুপ্পুর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

আপডেট: ০৪:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও দমন-পীড়নে সংশ্লিষ্টতায় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি (বিএপি)।

রোববার দুপুরে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগ জমা দেন বিএপির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান।

অভিযোগ দাখিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএপির সভাপতি হাসিনুর রহমান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব চলাকালে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। দেশের শীর্ষ পদে আসীন থেকে এসব দেখলেও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি ওই সময় পদত্যাগও করতে পারতেন, কিন্তু তা-ও করেননি। ফলে তিনি এই গণহত্যার দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। তাই ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতার নীতি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।’

বিএপির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাবেন।