১২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

বেনাপোলে বিজিবি সদস্য রতনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের বেনাপোলে বিজিবির এক সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী শিমুল হোসেনকে আটক রেখে মারধরের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে অবস্থিত শিমুল হোসেনের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে শিমুল হোসেন জানান, তিনি একজন কফি ব্যবসায়ী হিসেবে বেনাপোলসহ বিভিন্ন এলাকায় কফি ও সংশ্লিষ্ট পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। গত ৩ জুন ব্যবসায়িক কাজে বেনাপোলে এসে চেকপোস্ট এলাকার একটি খাদ্যসামগ্রীর দোকান থেকে ভারতীয় ১০ প্যাকেট অরিও বিস্কুট ক্রয় করেন। পরে নাভারণের উদ্দেশ্যে ফেরার পথে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১ নম্বর ওয়্যারহাউস গেটের সামনে পৌঁছালে রতন নামে এক বিজিবি সদস্য তাকে আটক করেন।

তার অভিযোগ, এরপর তাকে বাজারের সদর কোম্পানি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রতিবাদ জানালে তাকে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় এবং দফায় দফায় মারধর করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে তার কাছ থেকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়নি মর্মে একটি মুচলেকা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে জব্দ করা বিস্কুটগুলো রেখে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শিমুল হোসেন আরও বলেন, মুক্তি পাওয়ার পর তিনি শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাভারণে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় তিনি মানসিক, শারীরিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাভারণ সাতক্ষীরা মোড় এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বেনাপোলে বিজিবি সদস্য রতনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: ০২:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের বেনাপোলে বিজিবির এক সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী শিমুল হোসেনকে আটক রেখে মারধরের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে অবস্থিত শিমুল হোসেনের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে শিমুল হোসেন জানান, তিনি একজন কফি ব্যবসায়ী হিসেবে বেনাপোলসহ বিভিন্ন এলাকায় কফি ও সংশ্লিষ্ট পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। গত ৩ জুন ব্যবসায়িক কাজে বেনাপোলে এসে চেকপোস্ট এলাকার একটি খাদ্যসামগ্রীর দোকান থেকে ভারতীয় ১০ প্যাকেট অরিও বিস্কুট ক্রয় করেন। পরে নাভারণের উদ্দেশ্যে ফেরার পথে বেনাপোল স্থলবন্দরের ১ নম্বর ওয়্যারহাউস গেটের সামনে পৌঁছালে রতন নামে এক বিজিবি সদস্য তাকে আটক করেন।

তার অভিযোগ, এরপর তাকে বাজারের সদর কোম্পানি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রতিবাদ জানালে তাকে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় এবং দফায় দফায় মারধর করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে তার কাছ থেকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়নি মর্মে একটি মুচলেকা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে জব্দ করা বিস্কুটগুলো রেখে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শিমুল হোসেন আরও বলেন, মুক্তি পাওয়ার পর তিনি শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাভারণে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় তিনি মানসিক, শারীরিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাভারণ সাতক্ষীরা মোড় এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।