০৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

ছুটি শেষ হলেও খোলেনি পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের তালা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • /

স্টাফ রিপোর্টার : সরকার নির্ধারিত ২০২৬ সালের ২২ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত পবিত্র ঈদ-উল-আজহার ছুটি শেষে সকল অফিস আদালত খুললেও খোলেনি ইউনিয়ন পরিষদের তালা। ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের ঝিকরগাছার ৫ নম্বর পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদে।

১ জুন দুপুরে সরজমিন পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে কাউকে দেখা যায়নি। অফিস কক্ষগুলোসহ ভবনের সকল কক্ষ তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরিষদের দায়িত্বে থাকা গ্রাম পুলিশ শাহ জামাল এই প্রতিবেদককে ফোনে জানান, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সপ্তাহে দুদিন আসেন। অফিস চালান মুলত সচিব। আজ সচিব আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন তিনি আসবেননা। তাই আমরাও অফিসে তালা দিয়ে বাড়িতে চলে এসেছি।

পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ফরহাদ হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঝিকরগাছা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সচিব আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন তার শরীর খারাপ, তাই আজ আসতে পারবেননা। তিনি কোনো লিখিত দরখাস্ত দেননি। ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে অনুপস্থিতির বিষয়টা কেমন দেখায় এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কেউ অসুস্থতার কথা বললে তো কিছু বলতে পারিনা।

এদিকে দীর্ঘদিন পরে অফিস খুললেও কর্মকর্তারা না আসায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অসংখ্য সেবা গ্রহীতা। সাংবাদিক আসার খবরে তাদের মধ্যে একজন (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, সচিব ফরহাদ হোসেন কোনোদিনই সময়মত অফিসে আসেননা। ১১ টার আগে তাকে কখনোই অফিসে পাওয়া যায় না। আজও অফিস বন্ধ থাকায় তারা সকলেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাইদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। আপনি জানালেন, আমি খোঁজ নিয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

ছুটি শেষ হলেও খোলেনি পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের তালা

আপডেট: ০৭:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : সরকার নির্ধারিত ২০২৬ সালের ২২ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত পবিত্র ঈদ-উল-আজহার ছুটি শেষে সকল অফিস আদালত খুললেও খোলেনি ইউনিয়ন পরিষদের তালা। ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের ঝিকরগাছার ৫ নম্বর পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদে।

১ জুন দুপুরে সরজমিন পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে কাউকে দেখা যায়নি। অফিস কক্ষগুলোসহ ভবনের সকল কক্ষ তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরিষদের দায়িত্বে থাকা গ্রাম পুলিশ শাহ জামাল এই প্রতিবেদককে ফোনে জানান, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সপ্তাহে দুদিন আসেন। অফিস চালান মুলত সচিব। আজ সচিব আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন তিনি আসবেননা। তাই আমরাও অফিসে তালা দিয়ে বাড়িতে চলে এসেছি।

পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ফরহাদ হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঝিকরগাছা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সচিব আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন তার শরীর খারাপ, তাই আজ আসতে পারবেননা। তিনি কোনো লিখিত দরখাস্ত দেননি। ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে অনুপস্থিতির বিষয়টা কেমন দেখায় এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কেউ অসুস্থতার কথা বললে তো কিছু বলতে পারিনা।

এদিকে দীর্ঘদিন পরে অফিস খুললেও কর্মকর্তারা না আসায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অসংখ্য সেবা গ্রহীতা। সাংবাদিক আসার খবরে তাদের মধ্যে একজন (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, সচিব ফরহাদ হোসেন কোনোদিনই সময়মত অফিসে আসেননা। ১১ টার আগে তাকে কখনোই অফিসে পাওয়া যায় না। আজও অফিস বন্ধ থাকায় তারা সকলেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাইদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিলোনা। আপনি জানালেন, আমি খোঁজ নিয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।