১০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় ঈদের দিন বিএনপি নেতার ওপর প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
  • /

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২৮ মে-২০২৬) ঈদের দিন সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন আহত নেতা বাবুল আক্তার।

তিনি বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ঘটনায় শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি জেলা বিএনপির কাছেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

বাবুল আক্তার ডিহি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিভিন্ন স্থানে প্যানা ও সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।

এসব প্যানা ও সাইনবোর্ডে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ছবি সংযুক্ত ছিল।

তিনি জানান, গত ২৮ মে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পর ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র পাকশিয়া বাজারে গণসংযোগ করেন। পরে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, তার ছেলে রাকিব হোসেনসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বাবুল আক্তারের দাবি, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। আব্দুল জব্বার প্রকাশ্যে তাকে “দেখে নেওয়ার” হুমকি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে লাগানো তার প্যানা ও সাইনবোর্ড ভাঙচুর ও অপসারণ করা হয়েছে। এতে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দলীয় ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ঘটানো হয়েছে উল্লেখ করে বাবুল আক্তার বলেন, “বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় ঈদের দিন বিএনপি নেতার ওপর প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ

আপডেট: ০৯:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২৮ মে-২০২৬) ঈদের দিন সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন আহত নেতা বাবুল আক্তার।

তিনি বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ঘটনায় শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি জেলা বিএনপির কাছেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

বাবুল আক্তার ডিহি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিভিন্ন স্থানে প্যানা ও সাইনবোর্ড স্থাপন করেন।

এসব প্যানা ও সাইনবোর্ডে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ছবি সংযুক্ত ছিল।

তিনি জানান, গত ২৮ মে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পর ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র পাকশিয়া বাজারে গণসংযোগ করেন। পরে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, তার ছেলে রাকিব হোসেনসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বাবুল আক্তারের দাবি, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। আব্দুল জব্বার প্রকাশ্যে তাকে “দেখে নেওয়ার” হুমকি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে লাগানো তার প্যানা ও সাইনবোর্ড ভাঙচুর ও অপসারণ করা হয়েছে। এতে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দলীয় ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ঘটানো হয়েছে উল্লেখ করে বাবুল আক্তার বলেন, “বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

এ বিষয়ে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”