নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ইমামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
- আপডেট: ০৬:০৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
- / ২

উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল:
নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে
ইমাম গ্রেফতার। নড়াইলে চকলেটের প্রলোভনে
নড়াইলে চকলেটের প্রলোভনে শিশুকে যৌন হয়রানি, ইমাম গ্রেফতার
নড়াইল সদর উপজেলায় মক্তব পড়ুয়া এক শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে করা মামলায় মসজিদের ইমাম মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে জামিলকে (৫৭) গ্রেফতার করেছে নড়াইল সদর থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল জানান, শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের চাকই বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে স্থানীয় জনতা তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চলতি দায়িত্বে (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে জামিল উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের রুখালী গ্রামের মৃত আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি চাকই পশ্চিম পাড়া বায়তুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম।
মামলার বিবরণ ও পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের চাকই পশ্চিম পাড়া বায়তুস সালাম জামে মসজিদে ইমামতি করেন আমিনুল ইসলাম। নামাজ শেষে রাতে মসজিদে থাকেন তিনি। প্রতিদিন ভোর বেলা ফজরের নামাজের পরে এলাকার ছেলে-মেয়েদের মসজিদের বারান্দায় মক্তবে আরবি পড়ান তিনি। বাদীর মেয়ে ও স্থানীয় আরও দুই মেয়ে প্রতিদিন সকালে সেখানে মক্তবে আরবি পড়তে যায়। মক্তবে আরবি পড়তে যাওয়া মেয়েদের মাঝে মধ্যে শরীরে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন আমিনুল।
গত ৫ মে বাদীর শিশু কন্যাকে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ঘরের ভেতর ডেকে নেন এবং যৌন নিপীড়ন করেন। বৃহস্পতিবার (৭) মে শিশুটি বাড়ি ফিরে এসে তার পরিবারের সদস্যদের জানান। পরিবারের সদস্যরা অন্য শিশুদের কাছে জানতে চাইলে তাদের সঙ্গেও এমন করা হয়েছে বলে জানায় শিশুরা। পরে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বিষয়টি আমিনুল ইসলামের কাছে জানতে গেলে, আমিনুল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দেন। পরে শিশুর বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, মক্তবে আরবি পড়ানো শেষে শিশুদের তিনি যৌন হয়রানি করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় শিশুর বাবার করা মামলায় আমিনুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।





















