১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দেশেজুড়ে অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে ২৬ দিনে উদ্ধার ২ লাখ লিটার জ্বালানি, মামলা ছাড়াল ১ হাজারে

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / ১১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযানে গত ২৬ দিনে দুই লাখ লিটারের বেশি জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে সরকার। একই সময়ে দায়ের করা হয়েছে এক হাজারের বেশি মামলা এবং কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ১৬ জনকে।

সোমবার (৩০ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৩ হাজার ১৬৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে মোট ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি—১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৫ লিটার। এছাড়া ২২ হাজার ৫৩৯ লিটার অকটেন এবং ৪৬ হাজার ১৪৬ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়।

এ সময় অবৈধ মজুতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৫৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ১৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরিমানা হিসেবে আদায় করা হয়েছে ৭৫ লাখ ১৬ হাজার টাকা।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জ্বালানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মজুত রোধে চলমান এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারের তথ্য প্রদানকারীদের সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এ ছাড়া খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ এবং তদারকি জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদারকি কার্যক্রম জোরদার করতে প্রতিটি জেলায় গঠন করা হয়েছে ভিজিলেন্স টিম। জনগণের সঙ্গে এসব টিমের যোগাযোগ সহজ করতে প্রকাশ করা হয়েছে মোবাইল নম্বর।

জ্বালানি ডিপোগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে ইতোমধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশেজুড়ে অবৈধ মজুতবিরোধী অভিযানে ২৬ দিনে উদ্ধার ২ লাখ লিটার জ্বালানি, মামলা ছাড়াল ১ হাজারে

আপডেট: ০৯:৪৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযানে গত ২৬ দিনে দুই লাখ লিটারের বেশি জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে সরকার। একই সময়ে দায়ের করা হয়েছে এক হাজারের বেশি মামলা এবং কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ১৬ জনকে।

সোমবার (৩০ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৩ হাজার ১৬৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে মোট ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি—১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৫ লিটার। এছাড়া ২২ হাজার ৫৩৯ লিটার অকটেন এবং ৪৬ হাজার ১৪৬ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়।

এ সময় অবৈধ মজুতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৫৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ১৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরিমানা হিসেবে আদায় করা হয়েছে ৭৫ লাখ ১৬ হাজার টাকা।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জ্বালানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মজুত রোধে চলমান এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারের তথ্য প্রদানকারীদের সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এ ছাড়া খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ এবং তদারকি জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদারকি কার্যক্রম জোরদার করতে প্রতিটি জেলায় গঠন করা হয়েছে ভিজিলেন্স টিম। জনগণের সঙ্গে এসব টিমের যোগাযোগ সহজ করতে প্রকাশ করা হয়েছে মোবাইল নম্বর।

জ্বালানি ডিপোগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে ইতোমধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।