০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে শিশু ইরা হত্যাকাণ্ডে মূল আসামি গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সাত বছরের কন্যাশিশু ইরা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাবু শেখ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি।

আজ বিকেলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল নিশ্চিত করেন।

শিশু ইরা আজ ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এর আগে শনিবার সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতর থেকে গলাকাটা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, শিশুটির বাড়ি কুমিরাতে। যে জায়গা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি তার বাড়ি থেকে অন্তত পাঁচ–সাত কিলোমিটার দূরে। তাই শিশুটি একা সেখানে আসতে পারেনি; কেউ হয়তো ফুসলিয়ে তাকে সেখানে নিয়ে এসেছে।

শিশুটিকে উদ্ধারের সময় তার গলা থেকে রক্ত ঝরছিল। সড়ক সংস্কারের কাজে থাকা শ্রমিকেরা তাকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন। তাদের পরনের কাপড় দিয়ে গলা পেঁচিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। পরে দ্রুত শিশুটিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

চট্টগ্রামে শিশু ইরা হত্যাকাণ্ডে মূল আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট: ১১:১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সাত বছরের কন্যাশিশু ইরা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাবু শেখ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি।

আজ বিকেলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল নিশ্চিত করেন।

শিশু ইরা আজ ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এর আগে শনিবার সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের ভেতর থেকে গলাকাটা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, শিশুটির বাড়ি কুমিরাতে। যে জায়গা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি তার বাড়ি থেকে অন্তত পাঁচ–সাত কিলোমিটার দূরে। তাই শিশুটি একা সেখানে আসতে পারেনি; কেউ হয়তো ফুসলিয়ে তাকে সেখানে নিয়ে এসেছে।

শিশুটিকে উদ্ধারের সময় তার গলা থেকে রক্ত ঝরছিল। সড়ক সংস্কারের কাজে থাকা শ্রমিকেরা তাকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন। তাদের পরনের কাপড় দিয়ে গলা পেঁচিয়ে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। পরে দ্রুত শিশুটিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।