০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

কাউকে গ্রেফতারে পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক: আইন উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:২৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / ৮৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, “আমরা কিছু ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করেছি। এ সংশোধনের পর কাউকে গ্রেফতার করতে হলে পুলিশ বা সংস্থার ক্লিয়ার পরিচয় দিতে হবে। আইডি কার্ড দেখাতে হবে। যে ব্যক্তি গ্রেফতার হচ্ছেন, সে চাহিবামাত্র আইডি কার্ড দেখাতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক।

আসিফ নজরুল আরও যোগ করে বলেন, “থানায় আনার পর গ্রেফতার করা ব্যক্তির স্বজনদের জানাতে হবে। ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তার পরিবারকে জানাতে হবে। প্রতিটা গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন আইনে, কি কারণে গ্রেফতার হয়েছে। সবকিছুর একটা মেমোরেন্ডাম থাকতে হবে।”

‘গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির শরীরে যদি কোনো আঘাত থাকে বা সে যদি বলে অসুস্থ, তাকে অতিদ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে। আমরা বলেছি প্রত্যেকটা গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্ট থাকতে হবে। আগে ফ্যাসিবাদী আমলে বিভিন্ন এজেন্সি গ্রেফতার করতো। আসামির স্বজনদের পুলিশ, র‍্যাব গোয়েন্দা সংস্থা একে-অপরেররের কাছে পাঠাতো। র‍্যাব গ্রেফতার করে বলতো পুলিশ জানে, পুলিশ গ্রেফতার করে বলতো র‍্যাব জানে’-উল্লেখ করেন এ উপদেষ্টা।

“আমরা আইনে বলেছি, যে সংস্থাই গ্রেফতার করুক, তাদের কনসার্ন অফিসে গ্রেফতার করা ব্যক্তিকে কেন, কোনো আইনে গ্রেফতার করেছে ১২ ঘণ্টার মধ্যে কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, সমস্ত কিছু থাকতে হবে। এবং সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দিতে হবে। আমরা বলেছি নিয়মিতভাবে প্রত্যেকটি থানায়, জেলা পুলিশের কার্যালয় গ্রেফতার করা ব্যক্তিদের তালিকা থাকতে হবে। কত তারিখে কোনো আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই তালিকা থাকতে হবে।”

আইন উপদেষ্টা আরও যোগ করে বলেন, “আমরা আইন করেছি, সেখানে অনলাইন বেল বন্ড সাবমিশনের বিধান আছে। সেখানে ডিজিটালি ওয়ারেন্ট দেওয়া যাবে। এছাড়া বিচারিক তদারকি স্ট্রং করেছি। এই আইন যদি সঠিকভাবে পালন করা যায়, তাহলে মানুষকে আর ইচ্ছামতো গ্রেফতার কিংবা গুম করা যাবে না। এসব আইন সংশোধনে মানুষকে হয়রানি বন্ধ হবে। এবং এটা যুগান্তকারী ভূমিকা হিসেবে পালন করবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

কাউকে গ্রেফতারে পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক: আইন উপদেষ্টা

আপডেট: ০৬:২৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, “আমরা কিছু ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করেছি। এ সংশোধনের পর কাউকে গ্রেফতার করতে হলে পুলিশ বা সংস্থার ক্লিয়ার পরিচয় দিতে হবে। আইডি কার্ড দেখাতে হবে। যে ব্যক্তি গ্রেফতার হচ্ছেন, সে চাহিবামাত্র আইডি কার্ড দেখাতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক।

আসিফ নজরুল আরও যোগ করে বলেন, “থানায় আনার পর গ্রেফতার করা ব্যক্তির স্বজনদের জানাতে হবে। ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তার পরিবারকে জানাতে হবে। প্রতিটা গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন আইনে, কি কারণে গ্রেফতার হয়েছে। সবকিছুর একটা মেমোরেন্ডাম থাকতে হবে।”

‘গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির শরীরে যদি কোনো আঘাত থাকে বা সে যদি বলে অসুস্থ, তাকে অতিদ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে। আমরা বলেছি প্রত্যেকটা গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মেমোরেন্ডাম অব অ্যারেস্ট থাকতে হবে। আগে ফ্যাসিবাদী আমলে বিভিন্ন এজেন্সি গ্রেফতার করতো। আসামির স্বজনদের পুলিশ, র‍্যাব গোয়েন্দা সংস্থা একে-অপরেররের কাছে পাঠাতো। র‍্যাব গ্রেফতার করে বলতো পুলিশ জানে, পুলিশ গ্রেফতার করে বলতো র‍্যাব জানে’-উল্লেখ করেন এ উপদেষ্টা।

“আমরা আইনে বলেছি, যে সংস্থাই গ্রেফতার করুক, তাদের কনসার্ন অফিসে গ্রেফতার করা ব্যক্তিকে কেন, কোনো আইনে গ্রেফতার করেছে ১২ ঘণ্টার মধ্যে কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, সমস্ত কিছু থাকতে হবে। এবং সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দিতে হবে। আমরা বলেছি নিয়মিতভাবে প্রত্যেকটি থানায়, জেলা পুলিশের কার্যালয় গ্রেফতার করা ব্যক্তিদের তালিকা থাকতে হবে। কত তারিখে কোনো আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই তালিকা থাকতে হবে।”

আইন উপদেষ্টা আরও যোগ করে বলেন, “আমরা আইন করেছি, সেখানে অনলাইন বেল বন্ড সাবমিশনের বিধান আছে। সেখানে ডিজিটালি ওয়ারেন্ট দেওয়া যাবে। এছাড়া বিচারিক তদারকি স্ট্রং করেছি। এই আইন যদি সঠিকভাবে পালন করা যায়, তাহলে মানুষকে আর ইচ্ছামতো গ্রেফতার কিংবা গুম করা যাবে না। এসব আইন সংশোধনে মানুষকে হয়রানি বন্ধ হবে। এবং এটা যুগান্তকারী ভূমিকা হিসেবে পালন করবে।”