০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

শার্শায় গভীর নলকূপ বসানো নিয়ে উত্তেজনা, প্রশাসনের কাছে দাবি তদন্ত পুর্বক ব্যাবস্থা নেয়ার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:২০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / ১২৮

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের শার্শা উপজেলার গয়ড়া মাঠে গভীর নলকূপ স্থাপন নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুরাতন সেচ লাইনের পাশেই নতুন একটি গভীর নলকূপ বসানোর উদ্যোগ নেওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় সরব হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী। এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তদন্ত পুর্বক নতুন লাইসেন্স দেয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় কৃষক আমিনুর রহমান, হাশেম আলী মোল্লা সহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, তাদের বিদ্যমান সেচ লাইনের মাত্র ৩৫০-৪০০ ফুট দূরত্বে নতুনভাবে গভীর নলকূপ বসানোর অনুমোদন নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এতে তাদের দীর্ঘদিনের সেচ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে এবং কৃষিকাজে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে কৃষক আমিনুর রহমান বলেন, “আমরা নিয়ম মেনে লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই মাঠে সেচ দিয়ে আসছি। এখন এত কাছাকাছি আরেকটা নলকূপ বসালে আমাদের পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে।”

অভিযোগের জবাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি আব্দুর রশিদ দাবি করেন, “আমি আমার নিজের জমিতে গভীর নলকূপের জন্য আবেদন করেছি মাত্র। কোনো জোরপূর্বক কিছু করিনি। প্রশাসন যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেবে।”

স্থানীয়দের মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী দুটি গভীর নলকূপের মধ্যে ন্যূনতম ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। এছাড়া বিদ্যমান লাইসেন্সধারীদের ক্ষতি হলে নতুন লাইসেন্স অনুমোদন না দেওয়ার কথাও সরকারি নিয়মে স্পষ্টভাবে বলা আছে।

প্রশাসনের কাছে স্থানীয়দের দাবি, নতুনভাবে লাইসেন্স প্রদান ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগে যেন সঠিক তদন্ত করা হয় এবং বিদ্যমান সেচ লাইনের ক্ষতি হয়—এমন সিদ্ধান্ত যেন না নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

শার্শায় গভীর নলকূপ বসানো নিয়ে উত্তেজনা, প্রশাসনের কাছে দাবি তদন্ত পুর্বক ব্যাবস্থা নেয়ার

আপডেট: ০৭:২০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের শার্শা উপজেলার গয়ড়া মাঠে গভীর নলকূপ স্থাপন নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুরাতন সেচ লাইনের পাশেই নতুন একটি গভীর নলকূপ বসানোর উদ্যোগ নেওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় সরব হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী। এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তদন্ত পুর্বক নতুন লাইসেন্স দেয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় কৃষক আমিনুর রহমান, হাশেম আলী মোল্লা সহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, তাদের বিদ্যমান সেচ লাইনের মাত্র ৩৫০-৪০০ ফুট দূরত্বে নতুনভাবে গভীর নলকূপ বসানোর অনুমোদন নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এতে তাদের দীর্ঘদিনের সেচ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে এবং কৃষিকাজে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে কৃষক আমিনুর রহমান বলেন, “আমরা নিয়ম মেনে লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই মাঠে সেচ দিয়ে আসছি। এখন এত কাছাকাছি আরেকটা নলকূপ বসালে আমাদের পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে।”

অভিযোগের জবাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি আব্দুর রশিদ দাবি করেন, “আমি আমার নিজের জমিতে গভীর নলকূপের জন্য আবেদন করেছি মাত্র। কোনো জোরপূর্বক কিছু করিনি। প্রশাসন যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেবে।”

স্থানীয়দের মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী দুটি গভীর নলকূপের মধ্যে ন্যূনতম ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। এছাড়া বিদ্যমান লাইসেন্সধারীদের ক্ষতি হলে নতুন লাইসেন্স অনুমোদন না দেওয়ার কথাও সরকারি নিয়মে স্পষ্টভাবে বলা আছে।

প্রশাসনের কাছে স্থানীয়দের দাবি, নতুনভাবে লাইসেন্স প্রদান ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগে যেন সঠিক তদন্ত করা হয় এবং বিদ্যমান সেচ লাইনের ক্ষতি হয়—এমন সিদ্ধান্ত যেন না নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করা হতে পারে বলে জানা গেছে।