০৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

যশোর জেলা পুলিশের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেলো ৩৮ জন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / ১৬৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর জেলা পুলিশের স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে ৩৮ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকাল ১০টায় যশোর পুলিশ লাইন্সের ড্রিল সেডে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, পরে উত্তীর্ণদের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। রাত ১০টায় চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও যশোরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান।

ফলাফল ঘোষণার পর উত্তীর্ণদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়, যা আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। মাত্র ১২০ টাকার সরকারি ফি দিয়ে চাকরি পাওয়ায় এবং পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে সম্মাননা পেয়ে অনেকে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, “উত্তীর্ণরা সম্পূর্ণরূপে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে। আমরা চাই, সৎ, যোগ্য ও মেধাবীরা পুলিশের সদস্য হোক।” তিনি উত্তীর্ণদের দেশসেবায় সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। অকৃতকার্যদের উদ্দেশেও তিনি বলেন, “হেরে যাওয়া মানেই থেমে যাওয়া নয়, ভবিষ্যতের জন্য আরও প্রস্তুতি নিতে হবে।”

নিয়োগপ্রাপ্তরা জানান, নিয়োগের প্রতিটি ধাপেই ছিল কঠোর যাচাই-বাছাই ও নিরপেক্ষতা, যার ফলে তারা ন্যায়সঙ্গতভাবে চাকরি পেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নূর-ই-আলম সিদ্দিকীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলে

Please Share This Post in Your Social Media

যশোর জেলা পুলিশের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেলো ৩৮ জন

আপডেট: ০৮:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর জেলা পুলিশের স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে ৩৮ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকাল ১০টায় যশোর পুলিশ লাইন্সের ড্রিল সেডে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, পরে উত্তীর্ণদের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। রাত ১০টায় চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও যশোরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান।

ফলাফল ঘোষণার পর উত্তীর্ণদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়, যা আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। মাত্র ১২০ টাকার সরকারি ফি দিয়ে চাকরি পাওয়ায় এবং পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে সম্মাননা পেয়ে অনেকে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, “উত্তীর্ণরা সম্পূর্ণরূপে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে। আমরা চাই, সৎ, যোগ্য ও মেধাবীরা পুলিশের সদস্য হোক।” তিনি উত্তীর্ণদের দেশসেবায় সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। অকৃতকার্যদের উদ্দেশেও তিনি বলেন, “হেরে যাওয়া মানেই থেমে যাওয়া নয়, ভবিষ্যতের জন্য আরও প্রস্তুতি নিতে হবে।”

নিয়োগপ্রাপ্তরা জানান, নিয়োগের প্রতিটি ধাপেই ছিল কঠোর যাচাই-বাছাই ও নিরপেক্ষতা, যার ফলে তারা ন্যায়সঙ্গতভাবে চাকরি পেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নূর-ই-আলম সিদ্দিকীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলে