০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মোংলা বন্দরে জাহাজ থেকে লুট হওয়া মালামালসহ তিন জন আটক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / ১৮১

মোংলা প্রতিনিধিঃ মোংলা বন্দরের বেইস ক্রিক এলাকায় নোঙররত এমভি সেজুতি জাহাজে মঙ্গলবার (২৭ মে) রাতে প্রায় ১২ জন ডাকাত দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ প্রবেশ করে। তারা জাহাজের ক্রুদের জিম্মি করে এবং কিছু মেশিনারিজ মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।

ডাকাতির সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে মোংলা কোস্ট গার্ডের একটি অনুসন্ধানী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোংলা এলাকায় একাধিক অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং ডাকাতির সাথে জড়িত ৩ জনকে আটক করা হয়।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবরার হাসান, জানান, প্রাথমিকভাবে এটি একটি ডাকাতির ঘটনা মনে হলেও, জাহাজের কর্তৃপক্ষ, অফিসার, ক্রু ও আটককৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত সাজানো ডাকাতির ঘটনা। যেখানে জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ারসহ অন্যান্য নাবিক বৃন্দ ও স্থানীয় দুষ্কৃতকারীরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়।

এসময় তিনি আরো জানান, জাহাজের অধিকাংশ নাবিক গত ৬/৭মাস ধরে সঠিকভাবে বেতন পায় না। এতে করে নাবিকদের মধ্যে মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল। একারণে আর্থিক ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে ইতিপূর্বেও জাহাজ হতে বিভিন্ন গ্রুপ/ ডাকাতের কাছে মেশিনারিজ পার্টস বিক্রি করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

মোংলা বন্দরে জাহাজ থেকে লুট হওয়া মালামালসহ তিন জন আটক

আপডেট: ০৫:২৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

মোংলা প্রতিনিধিঃ মোংলা বন্দরের বেইস ক্রিক এলাকায় নোঙররত এমভি সেজুতি জাহাজে মঙ্গলবার (২৭ মে) রাতে প্রায় ১২ জন ডাকাত দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ প্রবেশ করে। তারা জাহাজের ক্রুদের জিম্মি করে এবং কিছু মেশিনারিজ মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়।

ডাকাতির সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে মোংলা কোস্ট গার্ডের একটি অনুসন্ধানী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোংলা এলাকায় একাধিক অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং ডাকাতির সাথে জড়িত ৩ জনকে আটক করা হয়।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবরার হাসান, জানান, প্রাথমিকভাবে এটি একটি ডাকাতির ঘটনা মনে হলেও, জাহাজের কর্তৃপক্ষ, অফিসার, ক্রু ও আটককৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত সাজানো ডাকাতির ঘটনা। যেখানে জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ারসহ অন্যান্য নাবিক বৃন্দ ও স্থানীয় দুষ্কৃতকারীরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়।

এসময় তিনি আরো জানান, জাহাজের অধিকাংশ নাবিক গত ৬/৭মাস ধরে সঠিকভাবে বেতন পায় না। এতে করে নাবিকদের মধ্যে মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিল। একারণে আর্থিক ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে ইতিপূর্বেও জাহাজ হতে বিভিন্ন গ্রুপ/ ডাকাতের কাছে মেশিনারিজ পার্টস বিক্রি করা হয়।