০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

“গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে মন্দিরভিত্তিক শিক্ষার বিকল্প নেই”

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৫০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / ১১০

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পসমূহ কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম একটি কার্যকর পদ্ধতি।

নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি, উন্নত নৈতিক মানবিক চরিত্র গঠন, সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি বজায় ও সহানুভ‚তিশীল সামাজিক সহাবস্থানের জন্য ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। জেলা প্রশাসক শনিবার (২৪ মে) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম ৬ষ্ট পর্যায় প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তার চৌধুরীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন, ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, সহকারী প্রকল্প পরিচালক মৌসুমী সুলতানা তুলি, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনন্দ কিশোর সাহা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহŸায়ক আবু হুরায়রা। অনুষ্ঠানে হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধি, জেলার বিভিন্ন মন্দিরের শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি, নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রতকরণ ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের উপমহাদেশের নিজস্ব স্বতন্ত্র ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় রীতি-প্রথা রয়েছে। প্রতিটি ধর্মের বাণী পরিবার, সমাজ, জাতি ও জনগোষ্ঠীর জন্য কল্যাণকর। সকলের উচিত নিজ নিজ ধর্মচর্চা করা। ধর্মীয় শিক্ষার আলোকে নৈতিক চরিত্র গঠনের মাধ্যমে আমাদের সবাইকে সুন্দর সহানুভ‚তিশীল পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে কাজ করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

“গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে মন্দিরভিত্তিক শিক্ষার বিকল্প নেই”

আপডেট: ০৫:৫০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পসমূহ কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম একটি কার্যকর পদ্ধতি।

নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি, উন্নত নৈতিক মানবিক চরিত্র গঠন, সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি বজায় ও সহানুভ‚তিশীল সামাজিক সহাবস্থানের জন্য ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। জেলা প্রশাসক শনিবার (২৪ মে) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম ৬ষ্ট পর্যায় প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তার চৌধুরীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন, ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, সহকারী প্রকল্প পরিচালক মৌসুমী সুলতানা তুলি, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনন্দ কিশোর সাহা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহŸায়ক আবু হুরায়রা। অনুষ্ঠানে হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধি, জেলার বিভিন্ন মন্দিরের শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি, নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রতকরণ ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের উপমহাদেশের নিজস্ব স্বতন্ত্র ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় রীতি-প্রথা রয়েছে। প্রতিটি ধর্মের বাণী পরিবার, সমাজ, জাতি ও জনগোষ্ঠীর জন্য কল্যাণকর। সকলের উচিত নিজ নিজ ধর্মচর্চা করা। ধর্মীয় শিক্ষার আলোকে নৈতিক চরিত্র গঠনের মাধ্যমে আমাদের সবাইকে সুন্দর সহানুভ‚তিশীল পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে কাজ করতে হবে।