০৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না যারা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১৮৩

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার জানিয়েছেন, গুম, খুন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। এছাড়া, বিচারিক আদালত বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না।

তিনি আরও জানান, এ বিধান সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর জন্য প্রযোজ্য হবে এবং এটি নির্বাচনী অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে করা হচ্ছে। তবে কমিশন কোনো দলের বিরুদ্ধে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার পক্ষ নয়, বরং নির্বাচনে সুষ্ঠু প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিশ্চিত করতে এই প্রস্তাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) টক-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, “গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ যারা করেছে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড যারা করেছে, তারা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেই সুপারিশ নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। কাউকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা চাই যে অন্যায় করেছে তারা যেন বিচারের আওতায় আসে।”

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিলো চার সংস্কার কমিশনপ্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিলো চার সংস্কার কমিশন
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে নিরপেক্ষ তদন্ত করে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে যারা কারচুপিতে সহায়তা করেছে তাদের বিচার করা হোক। তখনকার কমিশন অন্যায় করলে তাদেরও বিচার হবে। কেউ চায় না অতীতের জায়গায় ফিরে যাক। অতীতের কারচুপির নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি চাই না। নির্বাচনী অঙ্গনকে দুর্বৃত্তায়ন মুক্ত করতে হবে।”

এদিকে, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন নির্বাচনে আরও কিছু সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো আসনে ৪০%-্এর কম ভোট পড়লে সেই আসনে আবারও নির্বাচন হবে। এছাড়া, “না” ভোটের বিধান ফিরিয়ে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। “না” ভোটের সংখ্যা বেশি হলে ওই আসনে পরাজিত প্রার্থীরা পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

কমিশন আরও জানিয়েছে, নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহার না করার সুপারিশ করা হয়েছে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ৪ মাসের মধ্যে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া, নির্বাচনী আইন “গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)” সংশোধন করে ১৮টি বিষয় সংশোধন এবং মোট ১৫০টি সুপারিশ কমিশন জমা দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না যারা

আপডেট: ০৫:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

গ্রামের সংবাদ ডেস্ক : নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার জানিয়েছেন, গুম, খুন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। এছাড়া, বিচারিক আদালত বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না।

তিনি আরও জানান, এ বিধান সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর জন্য প্রযোজ্য হবে এবং এটি নির্বাচনী অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে করা হচ্ছে। তবে কমিশন কোনো দলের বিরুদ্ধে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার পক্ষ নয়, বরং নির্বাচনে সুষ্ঠু প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিশ্চিত করতে এই প্রস্তাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) টক-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, “গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ যারা করেছে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড যারা করেছে, তারা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেই সুপারিশ নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। কাউকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা চাই যে অন্যায় করেছে তারা যেন বিচারের আওতায় আসে।”

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিলো চার সংস্কার কমিশনপ্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিলো চার সংস্কার কমিশন
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে নিরপেক্ষ তদন্ত করে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে যারা কারচুপিতে সহায়তা করেছে তাদের বিচার করা হোক। তখনকার কমিশন অন্যায় করলে তাদেরও বিচার হবে। কেউ চায় না অতীতের জায়গায় ফিরে যাক। অতীতের কারচুপির নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি চাই না। নির্বাচনী অঙ্গনকে দুর্বৃত্তায়ন মুক্ত করতে হবে।”

এদিকে, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন নির্বাচনে আরও কিছু সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো আসনে ৪০%-্এর কম ভোট পড়লে সেই আসনে আবারও নির্বাচন হবে। এছাড়া, “না” ভোটের বিধান ফিরিয়ে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। “না” ভোটের সংখ্যা বেশি হলে ওই আসনে পরাজিত প্রার্থীরা পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

কমিশন আরও জানিয়েছে, নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহার না করার সুপারিশ করা হয়েছে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ৪ মাসের মধ্যে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া, নির্বাচনী আইন “গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)” সংশোধন করে ১৮টি বিষয় সংশোধন এবং মোট ১৫০টি সুপারিশ কমিশন জমা দিয়েছে।