১২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সোনা রতন ও দীনময় রোয়াজা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • /

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সোনা রতন চাকমা ও গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী দীনময় রোয়াজা তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করানোর মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। সোমবার দুপুরে বিষয়টি দুই প্রার্থী নিশ্চিত করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সোনা রতন চাকমা জানান, “এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকায় কয়েকজন ভোটারের নম্বর অসম্পূর্ণ থাকায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে আমার মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা সত্যিই খুব কঠিন। সামান্য ভুলে প্রার্থীর এত ভোগান্তি হওয়া অযথা। এ ধরণের সমস্যা জেলা নির্বাচন অফিসেই সমাধান করা সম্ভব, ঢাকা পর্যন্ত আসা প্রয়োজন হয় না। আমার মতে, এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধানটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।”
অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী দীনময় রোয়াজ বলেন, “আমার ব্যাংক সংক্রান্ত একটি ছোট সমস্যা থাকায় আমাকে আপিল করতে হয়েছে। প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্টস জমা দিয়েছি, নির্বাচন কমিশন শেষ পর্যন্ত আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।”

উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে খাগড়াছড়ি জেলায় মোট ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই ৮ জনের মধ্যে তিনজন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
এই ঘটনায় প্রমাণিত হলো, প্রার্থীদের আপিলের মাধ্যমে ন্যায্যতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সোনা রতন ও দীনময় রোয়াজা

আপডেট: ০৮:৩৮:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সোনা রতন চাকমা ও গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী দীনময় রোয়াজা তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করানোর মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। সোমবার দুপুরে বিষয়টি দুই প্রার্থী নিশ্চিত করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সোনা রতন চাকমা জানান, “এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকায় কয়েকজন ভোটারের নম্বর অসম্পূর্ণ থাকায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে আমার মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা সত্যিই খুব কঠিন। সামান্য ভুলে প্রার্থীর এত ভোগান্তি হওয়া অযথা। এ ধরণের সমস্যা জেলা নির্বাচন অফিসেই সমাধান করা সম্ভব, ঢাকা পর্যন্ত আসা প্রয়োজন হয় না। আমার মতে, এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধানটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।”
অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী দীনময় রোয়াজ বলেন, “আমার ব্যাংক সংক্রান্ত একটি ছোট সমস্যা থাকায় আমাকে আপিল করতে হয়েছে। প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্টস জমা দিয়েছি, নির্বাচন কমিশন শেষ পর্যন্ত আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।”

উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে খাগড়াছড়ি জেলায় মোট ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই ৮ জনের মধ্যে তিনজন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
এই ঘটনায় প্রমাণিত হলো, প্রার্থীদের আপিলের মাধ্যমে ন্যায্যতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।