০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যার মূল শুটার গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৫৬:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৩০

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে বিএনপি নেতা চাঞ্চল্যকর আলমগীর হত্যাকাণ্ডের মূল শুটার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০) কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যশোর।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত (৩ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে যশোর শহরের ইসহাক সড়ক সংলগ্ন হুদা মেমোরিয়ালের পাশে সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। আলমগীর হোসেন (৫৫) নিজ ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে করে সেখানে পৌঁছামাত্রই পেছন থেকে অনুসরণকারী অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর পুলিশ সুপার যশোরের দিকনির্দেশনায় ডিবি যশোরের এসআই অলক কুমার দে (পিপিএম) এর নেতৃত্বে একাধিক চৌকস টিম মাঠে নামে।

ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, পুলিশি কলাকৌশল ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত (৭ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে যশোর শহরের বেজপাড়া মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে আলমগীর হত্যার মূল শুটার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুককে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর আসামি বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে নিজের দোষ স্বীকার করেন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০) যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথ।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যার মূল শুটার গ্রেফতার

আপডেট: ০৮:৫৬:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে বিএনপি নেতা চাঞ্চল্যকর আলমগীর হত্যাকাণ্ডের মূল শুটার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০) কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যশোর।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত (৩ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে যশোর শহরের ইসহাক সড়ক সংলগ্ন হুদা মেমোরিয়ালের পাশে সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। আলমগীর হোসেন (৫৫) নিজ ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে করে সেখানে পৌঁছামাত্রই পেছন থেকে অনুসরণকারী অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর পুলিশ সুপার যশোরের দিকনির্দেশনায় ডিবি যশোরের এসআই অলক কুমার দে (পিপিএম) এর নেতৃত্বে একাধিক চৌকস টিম মাঠে নামে।

ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, পুলিশি কলাকৌশল ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত (৭ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে যশোর শহরের বেজপাড়া মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে আলমগীর হত্যার মূল শুটার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুককে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর আসামি বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে নিজের দোষ স্বীকার করেন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০) যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথ।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।