০৫:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে বোমা হামলা: শার্শায় বিএনপি নেতা নিহত, আহত-১

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • / ১২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের শার্শা উপজেলায় ঈদের নামাজ আদায়ের বিষয় নিয়ে সংঘর্ষের জেরে বোমা হামলার ঘটনায় মোঃ আব্দুল হাই (৫০) নামের এক ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন মোঃ জিয়া (৩২), যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে শার্শার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডুপপাড়া গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের সকালেই আব্দুল হাই ও সাইদ নামে এক ব্যক্তির মধ্যে নামাজ আদায়ের পদ্ধতি ও স্থান নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। সন্ধ্যায় জামতলা মোড় থেকে বাজারের পথে যাওয়ার সময় সাইদ ও তার সহযোগীরা বোমা হামলা চালিয়ে আব্দুল হাইকে হত্যা করেন এবং জিয়াকে গুরুতর আহত করেন।

পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছে। বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাসেল মিয়া জানান, “ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনার ন্যায়বিচার চেয়েছেন। এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে বোমা হামলা: শার্শায় বিএনপি নেতা নিহত, আহত-১

আপডেট: ১২:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের শার্শা উপজেলায় ঈদের নামাজ আদায়ের বিষয় নিয়ে সংঘর্ষের জেরে বোমা হামলার ঘটনায় মোঃ আব্দুল হাই (৫০) নামের এক ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন মোঃ জিয়া (৩২), যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে শার্শার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডুপপাড়া গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের সকালেই আব্দুল হাই ও সাইদ নামে এক ব্যক্তির মধ্যে নামাজ আদায়ের পদ্ধতি ও স্থান নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। সন্ধ্যায় জামতলা মোড় থেকে বাজারের পথে যাওয়ার সময় সাইদ ও তার সহযোগীরা বোমা হামলা চালিয়ে আব্দুল হাইকে হত্যা করেন এবং জিয়াকে গুরুতর আহত করেন।

পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছে। বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাসেল মিয়া জানান, “ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনার ন্যায়বিচার চেয়েছেন। এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।