উন্নয়নের সুফল স্থানীয়দের কাছেই পৌঁছাতে হবে – শেফালিকা ত্রিপুরা
- আপডেট: ০৫:৪৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
- / ১

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সংরক্ষণে সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল, পরিবেশ ও নারীবান্ধব পর্যটন বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা।
তারা বলেন, পর্যটনের প্রসার ঘটাতে হলে স্থানীয় সংস্কৃতি, পরিবেশ ও নারীর নিরাপত্তাকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। টেকসই পর্যটন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের আয়োজনে, এমএসসিডি (MSCD) প্রকল্প ও খাগড়াপুর মহিলা কল্যাণ সমিতির সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত “সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল, পরিবেশ ও নারীবান্ধব পর্যটন” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলা হয়।
উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ও সভাপতি অ্যাডভোকেট সুষ্মিতা চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম মাহবুব রনি, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুষ্মিতা খীসা, উইমেন রিসোর্স নেটওয়ার্কের জেলা আহ্বায়ক নমিতা চাকমা, জেলা পরিষদের সদস্য জয়া ত্রিপুরা এবং তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার সিনিয়র প্রকল্প কর্মকর্তা মিনুচিং মারমা। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, নারী নেত্রী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন শিল্পের বিকাশ এমনভাবে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, জীবনধারা ও পরিবেশ কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। একই সঙ্গে পর্যটন খাতে নারীর অংশগ্রহণ, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং নেতৃত্বের সুযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পর্যটন ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যেমন স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে, অন্যদিকে পার্বত্য অঞ্চলের ঐতিহ্য, জীববৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণও নিশ্চিত হবে। এ লক্ষ্যে নীতিনির্ধারণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।














