যশোরে বৈধ ভাবে রোড ডিভাইডার নির্মাণের জন্য লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ
- আপডেট: ০২:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
- / ১৮১

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলের সাথে সারাদেশের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম যশোর বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছার লাউজনি রেলক্রসিংএ বৈধ ভাবে রোড ডিভাইডার নির্মাণের জন্য ৬ জনের নামে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
যাদের কাছে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন সচিব, রেলওয়ে বিভাগ মন্ত্রণালয়, সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, প্রধান প্রকৌশলী, রাজশাহী বিভাগ রেল ভবন, প্রধান প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিভাগীয় ব্যবস্থাপক, রাজশাহী বিভাগ, রাজশাহী রেল ভবন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, যশোর।
লিগ্যাল নোটিশে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমি মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে জরুরী জনস্বার্থের একটি বিষয় আপনাদের দৃষ্টিতে আনতে চাই। সেটি হলো যশোর বেনাপোল মহাসড়কের লাউজনি রেলক্রসিং এলাকা। দুর্ভাগ্যবশত, এই নির্দিষ্ট পয়েন্টে আইনানুগ সেন্ট্রাল রোড ডিভাইডারের অনুপস্থিতির কারণে ঘন ঘন সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। ফলে জানমালেরও ক্ষতি হচ্ছে। এই মহাসড়কটি জাতীয় এবং আঞ্চলিক উভয় গুরুত্ব বহন করে এবং সেইজন্য যাত্রীদের এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা বিষয়ে অবশ্যই উচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। একটি আইনসম্মত সড়ক বিভাজক স্থাপনে ব্যর্থতা শুধুমাত্র জীবনকে বিপন্ন করে না, সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অবহেলা বলেও বিবেচিত হতে পারে৷
লাউজনি রেলক্রসিং এলাকায় ২টি ডিভাইডার বসানো হয়েছে, যা খুবই ছোট এবং কোনো চিহ্নবিহীন। এর কারণে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। বাংলাদেশের লাইট রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট এবং সংশ্লিষ্ট প্রবিধানে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই স্থানে একটি সঠিকভাবে পরিকল্পিত এবং আইনসম্মতভাবে নির্মিত ডিভাইডার স্থাপন করা অপরিহার্য।
লাউজনি এলাকায় এটি নির্মাণের মূল্যায়ন শুরুর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে এবং প্রকৌশল ও নিরাপত্তা মান যথাযথ অনুসরণ করে ডিভাইডার নির্মাণের জন্য আপনার বিভাগকে সম্মানের সাথে অনুরোধ করছি।
এই নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে যদি কোন ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, আমি আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনি প্রতিকারের উদ্দেশ্যে বাধ্য হব।
উল্লেখ্য লাউজনি রেলক্রসিংএ অপরিকল্পিত এই ডিভাইডার স্থাপনের পর থেকেই উক্ত স্থানে সড়ক দুর্ঘটনার হার মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছে। বিগত ৩ বছরে এই স্থানে প্রায় শতাধিক ছোটবড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইতিপূর্বে ডিভাইডার অপসারণের জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবার উদ্যোগে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়া গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করলেও কতৃপক্ষ আমলে নেয়নি। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুনের এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো কে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এলাকার সচেতন মহল।





















