বিজয় দিবসে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের সমাধিতে মফিকুল হাসান তৃপ্তি’র শ্রদ্ধা
- আপডেট: ০৪:২৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৪৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন যশোর-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর ২০২৫) সকালে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহীদের প্রতি গভীর সম্মান জানান এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতার ঘোষক এবং আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতিদের অন্যতম। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন, যা মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সম্মুখযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এবং স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে যুগান্তকারী অবদান রাখেন।
মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও নেতৃত্বগুণ আজও আমাদের পথ দেখায়। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক আলহাজ্ব সাহিদুল ইসলাম, যশোর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. ইমদাদুল হক ইমদাদ, উপজেলা বিএনপির সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মফিজুর রহমান, কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বেনাপোল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল মামুন বাবলু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রাকিবুল হাসান রিপন সহ বেনাপোল পৌর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ ছাড়া স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।



























