১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে ৫ বাংলাদেশি নাগরিকের প্রত্যাবাসন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / ১৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভারতের হরিদাসপুর আইসিপি দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে স্বদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। তারা ভারতে প্রায় আড়াই বছর জেল খেটেছেন।

মঙ্গলবার ২৮শে জুলাই ভারতীয় ইমিগ্রেশন ও বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন এবং বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)-এর কাছে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে।

ফেরত আসারা হলেন—বাগেরহাট জেলার সামসুল হকের মেয়ে শিমু আক্তার (২৬) ও শারমিন খাতুন (৩০), টাঙ্গাইল জেলার মো. বাদশাহ মিয়ার মেয়ে পাপিয়া বাদশা (২৪), যশোর জেলার সিদ্দিক মিয়ার মেয়ে লাভলী খাতুন (২৫) এবং নড়াইল জেলার দুলাল মোল্লার মেয়ে রোজিনা খাতুন (২৩)।

অফিসিয়াল নথি সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইয়ের বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের তৃতীয় সচিব এবং ভারতের মুম্বাইস্থ এফআরআরও (FRRO) কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন তারিখের ট্রাভেল পারমিট ও লিভ ইন্ডিয়া নোটিশের ভিত্তিতে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে হরিদাসপুর আইসিপিতে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬:৪০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৭:১০ মিনিট) এই হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি সাইফুর রহমান বলেন, ‘তারা ভালো কাজের জন্য দলালদের খপ্পরে পড়ে পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই ভারতে যান। এরপর সে দেশের পুলিশের কাছে আটক হয়ে প্রায় আড়াই বছর জেল খাটেন। পরবর্তীতে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি চালাচালির একপর্যায়ে আজ বেনাপোল দিয়ে তারা দেশে আসেন।’

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের এরিয়া কোয়ার্ডিনেটর মুহিত চৌধুরী বলেন, ‘ফেরত আসাদের যশোরে তাদের শেল্টারহোমে রেখে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে হস্তান্তর করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে ৫ বাংলাদেশি নাগরিকের প্রত্যাবাসন

আপডেট: ১০:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভারতের হরিদাসপুর আইসিপি দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে স্বদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। তারা ভারতে প্রায় আড়াই বছর জেল খেটেছেন।

মঙ্গলবার ২৮শে জুলাই ভারতীয় ইমিগ্রেশন ও বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন এবং বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)-এর কাছে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে।

ফেরত আসারা হলেন—বাগেরহাট জেলার সামসুল হকের মেয়ে শিমু আক্তার (২৬) ও শারমিন খাতুন (৩০), টাঙ্গাইল জেলার মো. বাদশাহ মিয়ার মেয়ে পাপিয়া বাদশা (২৪), যশোর জেলার সিদ্দিক মিয়ার মেয়ে লাভলী খাতুন (২৫) এবং নড়াইল জেলার দুলাল মোল্লার মেয়ে রোজিনা খাতুন (২৩)।

অফিসিয়াল নথি সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইয়ের বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের তৃতীয় সচিব এবং ভারতের মুম্বাইস্থ এফআরআরও (FRRO) কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন তারিখের ট্রাভেল পারমিট ও লিভ ইন্ডিয়া নোটিশের ভিত্তিতে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে হরিদাসপুর আইসিপিতে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬:৪০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৭:১০ মিনিট) এই হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি সাইফুর রহমান বলেন, ‘তারা ভালো কাজের জন্য দলালদের খপ্পরে পড়ে পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই ভারতে যান। এরপর সে দেশের পুলিশের কাছে আটক হয়ে প্রায় আড়াই বছর জেল খাটেন। পরবর্তীতে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি চালাচালির একপর্যায়ে আজ বেনাপোল দিয়ে তারা দেশে আসেন।’

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের এরিয়া কোয়ার্ডিনেটর মুহিত চৌধুরী বলেন, ‘ফেরত আসাদের যশোরে তাদের শেল্টারহোমে রেখে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে হস্তান্তর করা হবে।